ট্রাম্পের ‘মিশ্র দিন’: এক মামলায় ক্ষমতা বাড়ল, অন্য দুই মামলায় বড় ধাক্কা

ট্রাম্পের ‘মিশ্র দিন’! একই দিনে আদালতে স্বস্তি ও অস্বস্তি— দুই অভিজ্ঞতারই মুখোমুখি হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। Supreme Court of the United States-এর এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে ফেডারেল সংস্থার শীর্ষ কর্তাদের…

June 30, 2026
1 min read

ট্রাম্পের ‘মিশ্র দিন’!

একই দিনে আদালতে স্বস্তি ও অস্বস্তি— দুই অভিজ্ঞতারই মুখোমুখি হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। Supreme Court of the United States-এর এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে ফেডারেল সংস্থার শীর্ষ কর্তাদের অপসারণের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা আরও বিস্তৃত হল। তবে একই দিনে যৌন নির্যাতন ও মানহানি সংক্রান্ত মামলায় বড় আইনি ধাক্কাও খেলেন তিনি।

সোমবার সুপ্রিম কোর্ট ৬-৩ সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ে জানায়, প্রেসিডেন্ট সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে ফেডারেল সংস্থার কমিশনার বা প্রধানকে পদ থেকে সরাতে পারেন। এই রায় আসে Rebecca Kelly Slaughter-কে Federal Trade Commission থেকে অপসারণের সিদ্ধান্তকে ঘিরে হওয়া মামলায়।

মার্কিন আইনে সাধারণত অযোগ্যতা বা অসদাচরণের মতো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়া স্বাধীন ফেডারেল কমিশনের সদস্যদের অপসারণ করা যায় না। কিন্তু আদালতের সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতিরা মনে করেন, এমন আইনি সুরক্ষা প্রেসিডেন্টের সাংবিধানিক ক্ষমতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তবে আদালত স্পষ্ট করেছে, এই রায় Federal Reserve-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। অন্যদিকে, তিন বিচারপতি ভিন্নমত পোষণ করে সতর্ক করেছেন যে, এই সিদ্ধান্ত স্বাধীন সরকারি কমিশনগুলিকে প্রেসিডেন্টের অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের আওতায় এনে দিতে পারে।

তবে এই সাফল্যের মাঝেই ট্রাম্পকে বড় ধাক্কা দেয় লেখিকা E. Jean Carroll-এর দায়ের করা দুটি দেওয়ানি মামলা। যৌন নির্যাতন ও মানহানি সংক্রান্ত মামলায় নিম্ন আদালতের রায় বহাল থাকে। ফলে ট্রাম্পকে আগের মতোই মোট প্রায় ১৩.৩ মিলিয়ন ডলার (সুদ-সহ) ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

ক্যারলের আইনজীবী Roberta Kaplan বলেন, আদালতের এই সিদ্ধান্তে স্পষ্ট হয়েছে যে, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দেওয়া আগের রায়ই বহাল রয়েছে এবং বারবার আপিল করেও তিনি সেই রায় বদলাতে পারেননি।

ক্যারলের অভিযোগ, ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি Bergdorf Goodman-এ ট্রাম্প তাঁকে যৌন নিপীড়ন করেছিলেন। পরে অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর ট্রাম্প দাবি করেন, বইয়ের প্রচারের জন্য ক্যারল এমন অভিযোগ করছেন। সেই মন্তব্যের জেরেই মানহানির মামলা দায়ের করেন তিনি।

ট্রাম্প অবশ্য শুরু থেকেই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছেন। তাঁর দাবি, বিচারপ্রক্রিয়ায় একাধিক ত্রুটি ছিল এবং তাঁর বিরুদ্ধে এমন কিছু সাক্ষ্য ও প্রমাণ আদালতে গ্রহণ করা হয়েছে, যা পক্ষপাতদুষ্ট। বিতর্কিত ২০০৫ সালের একটি অডিয়ো রেকর্ড নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন। তবে আদালত তাঁর সেই যুক্তি গ্রহণ করেনি।

ফলে একই দিনে একদিকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রশাসনিক ক্ষমতা কিছুটা বাড়ার স্বস্তি পেলেও, ব্যক্তিগত আইনি লড়াইয়ে ট্রাম্পের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠল।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow
Explore More on These Topics

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *