টমাস কাপে দুর্দান্ত ভারত!!
দাপটের সঙ্গেই টমাস কাপ-এর সেমিফাইনালে উঠে গেল ভারত। শক্তিশালী চিনা তাইপেইয়ের বিরুদ্ধে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই শেষ চারের টিকিট নিশ্চিত করেছে ভারতীয় দল। এই জয়ের ফলে পদকও পাকা হয়ে গেল।
লক্ষ্যের লড়াই—ম্যাচ পয়েন্ট বাঁচিয়ে দুরন্ত জয়
এই জয়ের নায়ক নিঃসন্দেহে লক্ষ্য সেন। বিশ্বের ৬ নম্বর ব্যাডমিন্টন তারকা চৌ তিয়েন চেন-এর বিরুদ্ধে শুরুতে পিছিয়ে পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু হাল ছাড়েননি। দুইটি ম্যাচ পয়েন্ট বাঁচিয়ে শেষ পর্যন্ত ১৮-২১, ২২-২০, ২১-১৭ ব্যবধানে অবিশ্বাস্য জয় তুলে নেন। প্রায় দেড় ঘণ্টার এই লড়াই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
ডাবলসে জ্বলে উঠলেন সাত্ত্বিক-চিরাগ
এরপর ডাবলসে নামেন সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি এবং চিরাগ শেট্টি। কঠিন প্রতিপক্ষ ওয়াং চি-লিন-দের বিরুদ্ধে লড়াই সহজ ছিল না। তিন গেমের টানটান ম্যাচে ২৩-২১, ১৯-২১, ২১-১২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে ভারতের ব্যবধান বাড়ান তাঁরা।
আয়ুষের জয়ে সিলমোহর
তৃতীয় ম্যাচে দায়িত্ব ছিল তরুণ আয়ুষ শেট্টি-র কাঁধে। চাপের মুহূর্তেও অসাধারণ পারফরম্যান্স করেন তিনি। বিশ্বের আট নম্বর এবং অল ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন লিন চুন-ই-কে ২১-১৬, ২১-১৭ গেমে হারিয়ে ভারতের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেন আয়ুষ।
কোচের প্রশংসা, দলের আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে
ভারতের প্রাক্তন কোচ বিমল কুমার এই জয়কে শুধুমাত্র একটি ম্যাচ জেতা হিসেবে দেখছেন না। তাঁর মতে, “এটা এমন এক পারফরম্যান্স যা দীর্ঘদিন মনে থাকবে। দলের আত্মবিশ্বাস, প্রস্তুতি এবং ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের শক্তির পরিচয় দিয়েছে এই জয়।”
সামনে বড় লড়াই
সেমিফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ হতে পারে জাপান বা ফ্রান্স। তবে ইতিমধ্যেই পদক নিশ্চিত হওয়ায় চাপ কিছুটা কম।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে এই টুর্নামেন্ট জিতেছিল ভারত। তার আগে ১৯৫২, ১৯৫৫ এবং ১৯৭৯ সালে ব্রোঞ্জ জিতেছিল। এবারও সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নতুন ইতিহাস গড়ার দিকে এগোচ্ছে ভারতীয় দল।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?