চাপের ম্যাচে তরুণের প্রশংসায় ভাসালেন শ্রেয়স!
চাপের মুখে পাওয়া জয় সব সময়ই আলাদা স্বাদ দেয়। আর সেই জয়ের আসল নায়ককে সামনে আনতেই দ্বিধা করলেন না Shreyas Iyer। গুজরাতের বিরুদ্ধে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ জেতার পর পঞ্জাব অধিনায়ক পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন—এই জয়ের পুরো কৃতিত্ব প্রাপ্য তরুণ Cooper Connolly-র।
২২ বছরের এই অস্ট্রেলীয় ব্যাটার যেভাবে চাপ সামলে দলকে জয়ের পথে নিয়ে গেলেন, তা মুগ্ধ করেছে অধিনায়ককেও। শ্রেয়স বলেন, “কনোলি অসাধারণ খেলেছে। কিছু শট তো সত্যিই চোখে লেগে থাকার মতো। বিশেষ করে Rashid Khan-এর বলে ওর ছক্কাটা দুর্দান্ত। আগে কখনও রশিদের বিরুদ্ধে খেলেনি, তবু ভয় পায়নি।”
ম্যাচের একটা সময় পঞ্জাব হঠাৎ করেই চাপে পড়ে যায়। একের পর এক উইকেট হারিয়ে ম্যাচ হাতছাড়া হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সেই সময় নিজে চোট নিয়ে মাঠের বাইরে ছিলেন শ্রেয়স। তবে ডাগআউট থেকে সবটা দেখেছেন। তাঁর কথায়, “আমি তখন হাতে বরফ দিচ্ছিলাম। হঠাৎ দেখি পরপর উইকেট পড়ছে। কিন্তু কনোলি মাথা ঠান্ডা রেখে ম্যাচটা বের করে আনল। এটাই বড় ব্যাপার।”
নিজের চোট নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন পঞ্জাব অধিনায়ক। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, চোট গুরুতর নয় এবং তাঁর মূল লক্ষ্য এখন দলের জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।
অন্য দিকে, প্রতিপক্ষ অধিনায়ক Shubman Gill-এর নেতৃত্বেরও প্রশংসা করেছেন শ্রেয়স। মাঠে গিলের আক্রমণাত্মক ফিল্ডিং সেট-আপ তাঁকে মুগ্ধ করেছে। তিনি বলেন, “আমি ব্যাট করার সময় দেখলাম শর্ট লেগে ফিল্ডার রাখা হয়েছে। এটা আইপিএলে খুব একটা দেখা যায় না। শুভমনকে বললামও—ওর এই আগ্রাসী মানসিকতা ভালো লাগল।”
গুজরাতকে কম রানে আটকে রাখার পিছনে দলের বোলারদের কৃতিত্বও তুলে ধরেন তিনি। বিশেষ করে উইকেটের আচরণ বুঝে পরিকল্পনা বদলানোর কথা বলেন। তাঁর মতে, শুরুতেই পেসারদের পর্যবেক্ষণ কাজে এসেছে।
ম্যাচের সেরা হয়ে কনোলিও নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, “এত বড় বড় ক্রিকেটারদের সঙ্গে খেলার সুযোগ পাওয়া আমার জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা। নিজের পারফরম্যান্সে খুশি। চেষ্টা করব এই ফর্ম ধরে রাখতে।”
নিজের প্রস্তুতি নিয়েও খোলামেলা কথা বলেছেন এই তরুণ। আইপিএলের আগে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো এবং মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকার কথাও জানান। পাশাপাশি, কোচ হিসেবে Ricky Ponting-এর উপস্থিতি তাঁকে অনেক সাহায্য করেছে বলেও স্বীকার করেন।
সব মিলিয়ে, এই ম্যাচ শুধু একটি জয় নয়—এটি এক তরুণ প্রতিভার আত্মপ্রকাশ। আর সেই পারফরম্যান্সই নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে পঞ্জাব শিবিরে।
শেষ লড়াইয়ের গল্প: জল থেকে তোলার পরও বেঁচে ছিলেন রাহুল, তবু বাঁচানো গেল না