ছোট্ট লারার লড়াই: বাবার কণ্ঠে শোনা গেল এক অজানা সংগ্রামের গল্প

ছোট্ট লারার লড়াই! তারকা জীবনের ঝলকানির আড়ালে কখনও কখনও এমন কিছু গল্প লুকিয়ে থাকে, যা গভীরভাবে ছুঁয়ে যায়। সম্প্রতি নিজের দেড় বছরের কন্যা লারাকে নিয়ে এমনই এক ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা…

March 28, 2026
1 min read

ছোট্ট লারার লড়াই!

তারকা জীবনের ঝলকানির আড়ালে কখনও কখনও এমন কিছু গল্প লুকিয়ে থাকে, যা গভীরভাবে ছুঁয়ে যায়। সম্প্রতি নিজের দেড় বছরের কন্যা লারাকে নিয়ে এমনই এক ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিলেন অভিনেতা Varun Dhawan।

২০২৪ সালে বাবা হন বরুণ। জীবনের এই নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছিল আনন্দে ভরপুর এক সময় দিয়ে। কিন্তু খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে এক কঠিন বাস্তবের মুখোমুখি হতে হয়। ছোট্ট লারা ‘ডেভেলপমেন্টাল ডিসপ্লেসিয়া অফ দ্য হিপ’ বা ডিডিএইচ নামে একটি সমস্যায় আক্রান্ত— যা মূলত কোমরের হাড়ের গঠনে সমস্যা তৈরি করে।

বরুণ নিজেই জানিয়েছেন, এই সমস্যার ফলে লারার কোমরের অংশ সঠিক জায়গায় বসে না। কখনও কখনও একটি পা তুলনামূলক লম্বা হয়ে যায়, যার কারণে হাঁটা বা নড়াচড়ায় অসুবিধা হয়। এমনকি ভবিষ্যতে ছোট বয়সেই জয়েন্ট বা হাড়ের সমস্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কাও থাকে।

একজন বাবা হিসেবে এই পরিস্থিতি সামলানো যে কতটা কঠিন, তা তাঁর কথাতেই স্পষ্ট। তিনি বলেন, “মাঝেমধ্যেই ওর পা বেঁকে যেত। এটা দেখে খুব কষ্ট হত।” তবুও চিকিৎসকদের উপর আস্থা রেখে ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছেন তাঁরা।

চিকিৎসার অংশ হিসেবে লারাকে বেশ কিছুদিন ‘স্পাইকা কাস্ট’ পরতে হয়েছে— যা ছোট্ট শিশুদের জন্য অত্যন্ত অস্বস্তিকর। প্রায় আড়াই মাস ধরে সেটি সারাক্ষণ পরে থাকতে হয়েছে তাঁকে। বরুণ জানান, সেই সময়টা তাঁদের পরিবারের জন্য খুবই কঠিন ছিল। কাস্ট পরানোর সময় শিশুকে অচৈতন্য করতে হত— যা একজন অভিভাবকের পক্ষে মানসিকভাবে সহ্য করা সহজ নয়।

তবে এখন পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে। বর্তমানে লারাকে আর সেই কাস্ট পরতে হচ্ছে না, যা বরুণের কাছে বড় স্বস্তির খবর। তিনি চিকিৎসকদের প্রশংসাও করেছেন, জানিয়ে যে সঠিক চিকিৎসার ফলে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন পড়েনি।

এই পুরো অভিজ্ঞতা বরুণকে আরও দৃঢ় করেছে। তিনি জানিয়েছেন, কঠিন সময়ে তাঁর সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা তাঁর বাবা David Dhawan। পরিবারের সমর্থন আর মানসিক শক্তিই তাঁকে এই পরিস্থিতি সামলাতে সাহায্য করেছে।

তারকা হলেও, শেষ পর্যন্ত বরুণ একজন সাধারণ বাবার মতোই সন্তানের কষ্টে ব্যথিত হন, উদ্বিগ্ন হন, আবার আশার আলো খোঁজেন। ছোট্ট লারার এই লড়াই শুধু একটি রোগের বিরুদ্ধে নয়— এটি এক পরিবারের সাহস, ধৈর্য আর ভালোবাসার গল্প।

এই অভিজ্ঞতা অনেক অভিভাবকের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়— সময়মতো চিকিৎসা, সঠিক যত্ন আর মানসিক দৃঢ়তা থাকলে কঠিন পথও ধীরে ধীরে সহজ হয়ে উঠতে পারে।

মুক্তির আগেই বিপত্তি: ‘ধুরন্ধর ২’ প্রদর্শনে প্রযুক্তিগত জটিলতা, দর্শকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন Aditya Dhar

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *