চোট কাটিয়ে রুপোতেই সন্তুষ্ট নীরজ, ‘ভয় নিয়েই খেলেছি’!
দীর্ঘ চোটের পর আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রত্যাবর্তন করলেও কমনওয়েলথ গেমসে সোনার স্বপ্ন পূরণ হল না নীরজ চোপড়ার। পুরুষদের জ্যাভলিন থ্রো ইভেন্টে ৮৫.৮৩ মিটার ছুড়ে রুপোর পদক জিতেছেন ভারতের তারকা অ্যাথলিট। সোনা গিয়েছে শ্রীলঙ্কার রুমেশ পাথিরাগের ঝুলিতে, যিনি ৮৯.৭৫ মিটার দূরে জ্যাভলিন ছুড়ে সেরা হয়েছেন।
তবে পদক জয়ের পর নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন নীরজ। তাঁর মতে, রুপো জিতলেও এই প্রতিযোগিতা তাঁর কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্রায় এক বছর চোটের কারণে মাঠের বাইরে থাকার পর আবার পোডিয়ামে ফিরতে পেরেছেন। সেটাকেই তিনি নিজের প্রত্যাবর্তনের বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন।
নীরজ জানান, প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই তাঁর মনে একটাই ভয় কাজ করছিল— আবার যদি চোট লাগে! সেই আশঙ্কার কারণেই তিনি নিজের স্বাভাবিক ছন্দে খেলতে পারেননি। দৌড়ের সময়ও পুরো শক্তি প্রয়োগ করেননি, যাতে শরীরের উপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে।
ভারতের অলিম্পিক চ্যাম্পিয়নের কথায়, ঠান্ডা আবহাওয়াও তাঁর পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলেছে। তিনি বলেন, ভারতীয় আবহাওয়ার সঙ্গে অভ্যস্ত হওয়ায় অতিরিক্ত ঠান্ডায় নিজের সেরাটা দেওয়া তাঁর পক্ষে সহজ নয়। তবু এত দিন পর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পদক জিততে পেরে তিনি খুশি এবং মনে করছেন, কঠোর পরিশ্রমের ফল ধীরে ধীরে মিলতে শুরু করেছে।
নীরজ আরও বলেন, পুরোপুরি ফিট থাকলে প্রতিযোগিতায় মানসিক দিক থেকেও অনেক বেশি আত্মবিশ্বাস থাকে। কিন্তু চোট কাটিয়ে ফেরার পর সেই নির্ভার মানসিকতা ফিরে আসতে সময় লাগে। তাই কমনওয়েলথ গেমসেও তিনি কিছুটা সতর্ক ছিলেন এবং ঝুঁকি নেওয়ার বদলে শরীরকে নিয়ন্ত্রণে রাখার দিকেই বেশি মন দিয়েছেন।
তাঁর বিশ্বাস, ফিটনেস আরও উন্নত হলে আগামী প্রতিযোগিতাগুলোতে অনেক ভালো ছন্দে ফিরতে পারবেন। সেই লক্ষ্যেই এখন প্রস্তুতি চালিয়ে যেতে চান তিনি। রুপো জিতলেও ভবিষ্যতে আবার সোনার মঞ্চে ওঠাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।