‘চাপ দিয়ে ক্ষমা চাওয়ানো ননসেন্স রাজনীতি’, মোদীকে কটাক্ষ রাহুলের; আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের পাশে কংগ্রেস

মোদীকে কটাক্ষ রাহুলের; আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের পাশে কংগ্রেস! ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। আন্দোলনে অংশ নেওয়া পড়ুয়াদের জোর করে ক্ষমা চাইতে বাধ্য…

August 5, 2026
0 min read

মোদীকে কটাক্ষ রাহুলের; আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের পাশে কংগ্রেস!

ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। আন্দোলনে অংশ নেওয়া পড়ুয়াদের জোর করে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “চাপ দিয়ে ক্ষমা চাওয়ানো এবং পরে সেই ক্ষমা গ্রহণ করার রাজনীতি সম্পূর্ণ অর্থহীন।” বুধবার দিল্লির ১০ জনপথের বাসভবনে আন্দোলনকারী কয়েক জন ছাত্রছাত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি।

রাহুলের অভিযোগ, বিভিন্ন রাজ্যে আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। তাঁদের পরিবারের সদস্যদেরও হেনস্থা করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, ক্ষমা চাওয়ানোর জন্য ভয় দেখানো হচ্ছে, বাড়িতে লোক পাঠানো হচ্ছে, তারপর বলা হচ্ছে সরকার তাঁদের ক্ষমা করে দিয়েছে। এই ধরনের রাজনীতিকে তিনি “ননসেন্স” বলে আখ্যা দেন।

আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে রাহুলের বার্তা ছিল স্পষ্ট— “তোমরা ক্ষমা চাইবে না। তোমরা কোনও ভুল করোনি। দেশের সংবিধান, শিক্ষাব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্যই আন্দোলন করছ। আমরা সাংবিধানিক মূল্যবোধের ভিত্তিতেই তোমাদের পাশে আছি।”

সাংবাদিক বৈঠকে রাহুলের পাশে উপস্থিত ছিলেন আন্দোলনে অংশ নেওয়া কয়েক জন পড়ুয়াও। তাঁদের মধ্যে রিয়া আহেরি জানান, আন্দোলনের সময় মুম্বইয়ে পুলিশের প্রিজ়ন ভ্যান আটকে দেওয়ার যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল, সেটিকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, তিনি পুলিশকে বাধা দেননি, বরং নিরপরাধ ছাত্রদের মুক্ত করার চেষ্টা করেছিলেন।

অন্য এক আন্দোলনকারী মুসকান শর্মা অভিযোগ করেন, তাঁর নাম শুনে অনেকেই তাঁকে মুসলিম বলে ধরে নিচ্ছেন। তিনি বলেন, শিক্ষাব্যবস্থার সমস্যা নিয়ে কথা বললেই ধর্মের প্রসঙ্গ টেনে আনা হচ্ছে, যা দুর্ভাগ্যজনক। উত্তরপ্রদেশের ফারহান নামে আর এক ছাত্রের অভিযোগ, তাঁর নামের ভিত্তিতে পুলিশ আলাদা তালিকা তৈরি করেছিল।

সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনের জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। আন্দোলনের চাপের মুখে কোনও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দীর্ঘ শাসনকালে এই প্রথম বলেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

প্রায় ১৩ মিনিটের সাংবাদিক বৈঠকের শেষে রাহুল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে উদ্দেশ করে প্রশ্ন তোলেন, “আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীরা সবার সামনে নিজেদের বক্তব্য রাখছে। কিন্তু মোদী ও শাহ কোথায়?”

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow
Explore More on These Topics

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *