ক্রিকেটে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা, ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ক্রিকেটারকে ৮ বছরের নির্বাসন আইসিসির

ক্রিকেটে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা! ক্রিকেটে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)। আবুধাবি টি-টেন লিগে অনিয়মের অভিযোগে আমেরিকার ভারতীয় বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার বদুগাম অখিলেশ রেড্ডিকে আট বছরের…

August 3, 2026
1 min read

ক্রিকেটে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা!

ক্রিকেটে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)। আবুধাবি টি-টেন লিগে অনিয়মের অভিযোগে আমেরিকার ভারতীয় বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার বদুগাম অখিলেশ রেড্ডিকে আট বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেটীয় কার্যকলাপ থেকে নির্বাসিত করা হয়েছে। আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী ট্রাইবুনাল তাঁকে একাধিক ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেছে।

মাত্র ২৫ বছর বয়সী রেড্ডি এই নিষেধাজ্ঞার সময়কালে শুধু প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটই নয়, কোচিং, প্রশাসনিক দায়িত্ব বা ক্রিকেট-সংক্রান্ত কোনও কার্যক্রমের সঙ্গেও যুক্ত থাকতে পারবেন না। তাঁর বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের আবুধাবি টি-টেন প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে তদন্ত শুরু হয়েছিল। সেই তদন্তের ভিত্তিতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শাস্তি কার্যকর হয়েছে ২০২৫ সালের ২১ নভেম্বর থেকে।

আইসিসি জানিয়েছে, রেড্ডির বিরুদ্ধে তিনটি গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। প্রথমত, ম্যাচের ফল বা ম্যাচের কোনও অংশকে বেআইনি ভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছিলেন তিনি, যা আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী আচরণবিধির ২.১.১ ধারা লঙ্ঘন করে। দ্বিতীয়ত, অন্য ক্রিকেটারদেরও ম্যাচ গড়াপেটার মতো বেআইনি কাজে যুক্ত হতে প্ররোচিত বা উৎসাহিত করার অভিযোগও প্রমাণিত হয়েছে। এই অপরাধের জন্য তাঁকে ২.১.৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

এতেই শেষ নয়। তদন্ত চলাকালীন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করারও অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। আইসিসির দাবি, তদন্তে সহায়ক হতে পারত এমন কিছু তথ্য নিজের মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ থেকে মুছে ফেলেছিলেন রেড্ডি। ফলে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আচরণবিধির ২.৪.৭ ধারাতেও তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

সম্প্রতি লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেটার মনজ্যোৎ কালরা। তার কিছু দিনের মধ্যেই আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে এমন কড়া শাস্তি ক্রিকেট মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে ম্যাচ গড়াপেটা এবং দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে গত কয়েক বছর ধরেই উদ্বিগ্ন আইসিসি। বিশেষ করে আবুধাবি টি-টেন লিগ তাদের বিশেষ নজরদারির আওতায় রয়েছে। ২০২১ সালেও এই প্রতিযোগিতাকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল এবং সেই সময়ও তদন্ত চালিয়েছিল আইসিসি।

বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের প্রতিযোগিতায় রেড্ডির একাধিক কার্যকলাপ দুর্নীতি দমন শাখার নজরে আসে। পরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ক্রিকেট বোর্ডও বিষয়টি তদন্তের জন্য আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানায়। তদন্তে পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়ার পরই তাঁকে দীর্ঘ আট বছরের জন্য নির্বাসিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনার মাধ্যমে আইসিসি স্পষ্ট বার্তা দিল, ক্রিকেটে দুর্নীতি বা তদন্তে অসহযোগিতার মতো অপরাধ কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। খেলার স্বচ্ছতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় ভবিষ্যতেও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেই মনে করছে ক্রিকেট মহল।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *