ধনশ্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে ফের খোলামেলা যুজবেন্দ্র চহল!
ভারতীয় ক্রিকেটের জনপ্রিয় স্পিনার যুজবেন্দ্র চহল ও ধনশ্রী বর্মার বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে আলোচনা থামেনি। গত বছরের মাঝামাঝি তাঁদের আইনি বিচ্ছেদ হয়। সময় পেরোলেও সেই অধ্যায় নিয়ে মানুষের কৌতূহল এখনও তুঙ্গে। তবে এ বার নিজেই বিষয়টি নিয়ে শান্ত, পরিণত স্বরে মুখ খুললেন চহল।
এক সাক্ষাৎকারে চহল স্পষ্ট জানালেন, সেই অধ্যায় তাঁর জীবনে এখন সম্পূর্ণভাবে শেষ। তিনি বললেন,
“ওটা আমার জীবনের একটা অংশ ছিল। কিন্তু সেটা শেষ হয়ে গিয়েছে। আমি ওই জায়গায় আর আটকে থাকতে চাই না। আদালত থেকে বেরোনোর পরই বুঝে গিয়েছিলাম, ওই অধ্যায়টা বন্ধ হয়ে গেল।”
চহলের কথায়, আইনি বিচ্ছেদ তাঁকে মানসিক স্বস্তি দিয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে তাঁকে নানা প্রশ্ন, জল্পনা আর কৌতূহলের মুখেও দাঁড় করিয়েছে। সমাজমাধ্যমে তাঁকে ঘিরে আলোচনা, সমালোচনা, এমনকি বিদ্বেষও এসেছে।
তবে প্রাক্তন স্ত্রীর প্রতি কোনও ক্ষোভ বা তিক্ততা নেই বলেই স্পষ্ট করে দিলেন তিনি। চহলের সোজাসাপ্টা প্রশ্ন,
“আমি আমার জীবন নিয়ে খুশি। ও ওর জীবন নিয়ে খুশি থাকুক। কারও জীবন অতিষ্ঠ করে তুলে কী লাভ?”
এই একটি বাক্যেই যেন তাঁর মানসিক অবস্থান স্পষ্ট হয়ে যায়—রাগ নয়, প্রতিশোধ নয়, বরং এগিয়ে চলার ইচ্ছাই তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
চহল স্বীকার করেছেন, এখন তিনি একাই রয়েছেন। কিন্তু সেই একাকিত্ব তাঁকে ভেঙে দেয়নি। বরং তিনি নিজেকে নতুন করে গুছিয়ে নিয়েছেন। তাঁর কথায়,
“যখন অনেক মানুষ আপনাকে ভালবাসে, তখন কিছু মানুষ আপনাকে ঘৃণাও করবে। আমি সেটা জীবনে খুব কাছ থেকে দেখেছি। সমাজমাধ্যমে ট্রোলড হয়েছি, কটূক্তি শুনেছি। কিন্তু এখন আমি সেসব কাটিয়ে উঠেছি।”
এক সময় যাঁরা তাঁকে দম্পতি হিসেবে দেখেছেন, তাঁরাই অনেকেই বিচ্ছেদের জন্য তাঁকেই দায়ী করেছেন—এ কথাও অস্বীকার করেননি চহল। তবে সেই নেতিবাচকতা তাঁকে আর স্পর্শ করে না বলেই জানান তিনি।
চহলের মতে, ধনশ্রীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এখন শুধুই অতীত। তিনি সেটাকে সম্মানের সঙ্গেই অতীত হিসেবে রেখে দিতে চান। ভবিষ্যতে সেই অধ্যায়ে ফিরে যাওয়ার কোনও ইচ্ছে নেই তাঁর।
এই খোলামেলা স্বীকারোক্তিতে চহল যেন বুঝিয়ে দিলেন—বিচ্ছেদ মানেই তিক্ততা নয়। কখনও কখনও তা দু’জনের জন্যই নতুন করে বাঁচার সুযোগ হয়ে ওঠে। আর সেই সুযোগকে সম্মান করাই তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
চহলের এই বক্তব্যে এক ধরনের পরিণত ভাবনা স্পষ্ট—অভিযোগের বদলে আত্মসম্মান, ক্ষোভের বদলে শান্তি, আর অতীত আঁকড়ে না ধরে সামনে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা। ঠিক যেন নিজের জীবনকে নতুন করে সাজিয়ে নেওয়ার এক নিঃশব্দ ঘোষণা।
‘স্পিরিট’-এ প্রভাসের ১৬০ কোটি! নায়িকাদের পারিশ্রমিকের ফারাক ঘিরে নতুন চর্চা