কলেজে টিএমসিপি-র ‘দাদা’-র বিরুদ্ধে নারকীয় অভিযোগ, নির্যাতিতা জানালেন পুরো রাতের গল্প

কলেজে টিএমসিপি-র ‘দাদা’-র বিরুদ্ধে নারকীয় অভিযোগ! এক আইন কলেজের টিএমসিপি ইউনিটের প্রভাবশালী ‘দাদা’ ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে এই কলেজের এক ছাত্রী দিয়েছে ভয়াবহ ধর্ষণ অভিযোগ। অভিযোগ, ২৫ মে পরীক্ষা ফর্ম…

June 28, 2025
1 min read

কলেজে টিএমসিপি-র ‘দাদা’-র বিরুদ্ধে নারকীয় অভিযোগ!

এক আইন কলেজের টিএমসিপি ইউনিটের প্রভাবশালী ‘দাদা’ ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে এই কলেজের এক ছাত্রী দিয়েছে ভয়াবহ ধর্ষণ অভিযোগ। অভিযোগ, ২৫ মে পরীক্ষা ফর্ম ভরার পরই শুরু—a বিভাগের ‘জে’ নামে পরিচিত সেই দাদা প্রথমে ইউনিয়ন রুমে সেই শিক্ষার্থীকে প্রেমের প্রস্তাব দেন, প্রত্যাখ্যান হলে আচরণ শুরু হয় অত্যাচারে—অন্য দুই ছাত্রী নেতা ‘এম’ ও ‘পি’ ছিলেন তাদের নীরব সহযোদ্ধা।

নির্যাতিতার বয়ান অনুযায়ী, দুপুরে শুরু হয় মিশ্র কথাবার্তা, তার পরই বিকেলে জমে তেহট্টালো প্ল্যান—ফিরতে চাইলে তিনি বাধা পান, এক পর্যায়ে ইউনিয়ন রুমের দরজা লোকসানের জন্য বাইরে থেকে বন্ধ হয়ে যায়। তখন ‘জে’ কড়া কথা বলে তাকে ‘ওয়াশরুম’-এ ডেকে নিয়ে যান, সেখানে বলিষ্ঠ আচরণ শুরু—যেখানে শিক্ষার্থী বারবার “না” বললেও অজুহাতে বন্ধুরা কানে চুপ করিয়ে দেয় ইনহেলার ব্যবহার যাতে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

এরপর ‘জে’, ‘এম’ ও ‘পি’ মিলে তাকে ইউনিয়ন রুমে ফিরিয়ে নিয়ে গোপন দরজা দিয়ে ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়, দরজা আরও সশর করে বন্ধ করে—কলেজের রাত্রিকালীন নির্জনতা কাজে লাগিয়ে তিনি বিনা সম্মতিতেই ধর্ষণ করেন। ছাত্রীর ভাষায়, “আমি ‘প্যানিক অ্যাটাক’-এ ভেঙে পড়ি, কিন্তু কেউ শোনে না। আমার দায়িত্ব নিতে চায় না।”

ধর্ষণের পর ‘জে’ শিক্ষার্থীকে ব্ল্যাকমেল শুরু করেন: “তোমার ভিডিওগুলো আমরা সারাদিন দেখে সবাইকে দেখাব”— সাথে হুমকি দেন প্রেমিক, বাবা–মাকে গ্রেপ্তার করিয়ে দেবেন বলে। “তারা (এম ও পি) দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছে, কেউ আমাকে রক্ষার চেষ্টা করেনি,”— লিখেছেন নির্যাতিতা।

এতেই থেমে না, ধর্ষণের পাশাপাশি ‘জে’ হকি স্টিক দিয়ে মারধর করেন, মারাত্মকভাবে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতিত হয় শিক্ষার্থী। সেই রাত তাকে সাঁতকে ওঠার মতো অভিজ্ঞতা দিয়েছে।

এই অভিযোগে পুলিশ ইতিমধ্যেই তিনজন—জে, এম এবং পি—কে গ্রেপ্তার করেছে। মিজরর, আনুষ্ঠানিক অভিযোগ উত্থাপন করে নির্যাতিতার পরিবার এবং রাজনৈতিক কর্মীরা শোরগোল তুলেছেন। পরীক্ষাঙ্গন, রাজনীতি এবং কলেজ প্রশাসন—সকলেই এই ঘটনায় কলঙ্কিত।

এই ঘটনার পর কলেজে উদ্বেগ ছড়িয়েছে, ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে নিরাপত্তা বিষয়ে আতঙ্ক বাড়ছে। প্রশাসন এবং পুলিশ তদন্তে নামে—’জে’ এবং তার দলে যা ঘটিয়েছে, তা কতটুকু সত্য তা উঠে আসা এখন সবার লক্ষ্যে।

‘সর্দারজি ৩’ ঘিরে বিতর্কে উত্তাল ভারত! পাক নায়িকার সঙ্গে অভিনয়ে নিষিদ্ধ দিলজিৎ, পাকিস্তানে চলছে মুক্তির তোড়জোড়

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *