কণ্ঠে ভার আনতে ধূমপান! ‘ধুরন্ধর’-এ রণবীরের অভিনয়ের নেপথ্যের অজানা গল্প শোনালেন শব্দযন্ত্রী বিশ্বদীপ

কণ্ঠে ভার আনতে ধূমপান! ‘ধুরন্ধর’-এ রণবীরের! আদিত্য ধর পরিচালিত ধুরন্ধর এখন বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। ছবির অ্যাকশন, নির্মাণশৈলী এবং অভিনয়ের পাশাপাশি বিশেষ ভাবে প্রশংসিত হচ্ছে এর সাউন্ড ডিজ়াইন। আর সেই…

May 7, 2026
1 min read

কণ্ঠে ভার আনতে ধূমপান! ‘ধুরন্ধর’-এ রণবীরের!

আদিত্য ধর পরিচালিত ধুরন্ধর এখন বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। ছবির অ্যাকশন, নির্মাণশৈলী এবং অভিনয়ের পাশাপাশি বিশেষ ভাবে প্রশংসিত হচ্ছে এর সাউন্ড ডিজ়াইন। আর সেই আবহ নির্মাণের নেপথ্যে রয়েছেন বিশিষ্ট শব্দযন্ত্রী বিশ্বদীপ চট্টোপাধ্যায়। সম্প্রতি তিনি ভাগ করে নিলেন এই ছবিতে কাজ করার নানা অভিজ্ঞতা, বিশেষ করে রণবীর সিংহ-কে নিয়ে কিছু অজানা তথ্য।

বিশ্বদীপের কথায়, ছবির গল্প শোনার আগেই তিনি পাকিস্তানের ‘লিয়ারি’ এলাকার ভয়াবহতা সম্পর্কে জানতেন। ইউটিউবে দেখা বাস্তব ঘটনার ভিডিয়ো তাঁর মনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। সেই ভয়, হিংসা এবং অস্থিরতার আবহকেই শব্দের মাধ্যমে পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছিলেন তিনি। তাঁর মতে, এই ছবির প্রতিটি দৃশ্যেই শব্দ ছিল আলাদা চরিত্রের মতো।

ভারতীয় সিনেমায় বহু নামী পরিচালকের সঙ্গে কাজ করেছেন বিশ্বদীপ। ঋতুপর্ণ ঘোষ, সঞ্জয় লীলা ভন্সালী, রাজকুমার হিরানি বা সুজিত সরকার— প্রত্যেকের কাজের ধরণ আলাদা। তবে আদিত্য ধরের মধ্যে তিনি দেখেছেন ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা করার অসাধারণ ক্ষমতা। প্রায় দুই দশক ধরে তাঁকে চেনেন বিশ্বদীপ। তাঁর মতে, আদিত্যর চিন্তাভাবনা বরাবরই অন্য রকম ছিল।

ছবির একটি বিয়েবাড়ির অ্যাকশন দৃশ্যের উদাহরণ টেনে বিশ্বদীপ বলেন, সেখানে জনপ্রিয় গান ‘রাম্বা হো’-এর সঙ্গে গোলাগুলির শব্দ ও আবহ মিলিয়ে এমন ভাবে তৈরি করতে হয়েছিল, যাতে কোনওটিই অন্যটিকে ঢেকে না দেয়। এই ভারসাম্য বজায় রাখাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

তবে সবচেয়ে চর্চিত বিষয় হয়ে উঠেছে রণবীর সিংহের কণ্ঠস্বর। ছবিতে তাঁর চরিত্র হামজ়ার জন্য প্রয়োজন ছিল অনেক বেশি ভারী এবং রুক্ষ গলার। সেই কারণে ডাবিংয়ের আগে রণবীরকে কখনও কখনও সিগারেট খেয়ে আসতে বলতেন বিশ্বদীপ। তাঁর কথায়, “ভারী কণ্ঠের জন্য সেটা দরকার ছিল। রণবীরও বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে করতেন।”

শুধু তা-ই নয়, এক দৃশ্যে বিরিয়ানি খেতে খেতে সংলাপ বলার প্রয়োজন ছিল। ডাবিংয়ের সময় সত্যিই বিরিয়ানি খেতে খেতে সংলাপ বলতে শুরু করেন রণবীর। বিশ্বদীপ জানান, বাস্তবতার সেই ছোঁয়াই তাঁরা চেয়েছিলেন, আর অভিনেতাও পূর্ণ নিষ্ঠার সঙ্গে তা করে দেখিয়েছেন।

ছবিটিকে ঘিরে ‘প্রোপাগান্ডা’ তকমা নিয়েও মুখ খুলেছেন বিশ্বদীপ। তাঁর মতে, রাজনৈতিক মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু ছবির নির্মাণগুণ নিয়ে সমালোচনা খুব কমই হয়েছে। তিনি স্পষ্ট জানান, নির্দিষ্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তৈরি তথাকথিত প্রচারধর্মী ছবির সঙ্গে ‘ধুরন্ধর’-কে এক সারিতে রাখা ঠিক হবে না।

স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *