এক চিমটে নুনের জাদু!
নুনের — রান্নার এক অপরিহার্য উপাদান। খাবারের স্বাদ তো বাড়ায়ই, তবে নুনের গুণ এখানেই শেষ নয়। সঠিকভাবে ব্যবহার করলে রান্নার অনেক কাজও সহজ হয়ে যায়। আর তাই আজ আমরা জানবো, এক চিমটে নুন কীভাবে আপনার রান্নাকে আরও সুন্দর ও মজাদার করে তুলতে পারে।
প্রথমেই বলি, পেঁয়াজ কাটার সময় চোখ জ্বালা হলে কী করবেন? একটু পরামর্শ, পেঁয়াজ কাটার বোর্ডে সামান্য নুন ছড়িয়ে দিন। নুন পেঁয়াজের রস শুষে নেবে, ফলে চোখে জ্বালা কমবে। আর যদি পেঁয়াজের খোসা ছাড়িয়ে ধুয়ে নেন, তাতেও চোখ জ্বালার সমস্যা অনেকটাই কমে যায়।
ভাজা রান্নায় নুনের বিশেষ ভূমিকা আছে। মুচমুচে ভাজা করতে চাইলে ঢেঁড়স বা মাশরুমের উপর মিনিট দশেক আগে একটু নুন মাখিয়ে রাখুন। নুন সব্জির ভেতর থেকে জল টেনে বের করে দেয়, ফলে ভাজা হয় আরও মুচমুচে ও খাস্তা।
করলা বা উচ্ছে যেমন তেতোভাব বেশি থাকে, অনেকেই তা পছন্দ করেন না। তখন করলা কেটে নুন আর হলুদ মাখিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। নুনের কারণে করলার জল বেরিয়ে আসবে। সেই জল চেপে ফেলে ভাজলে তেতোভাব অনেক কমে যাবে। চাইলে একটু কর্নফ্লাওয়ার বা বেসন ছড়িয়ে ভাজলে করলাও হয়ে উঠবে মুচমুচে ও রসালো।
ডিম সেদ্ধ করার সময় এক চিমটে নুন দিলে খোসা ছাড়ানো সহজ হয়। আলু বা পাস্তা সেদ্ধ করার সময়ও নুন দিলে স্বাদ বাড়ে, এবং ভেতর থেকে মসলা ছড়িয়ে পড়ে, যা খাবারকে আরও মজাদার করে তোলে।
এবং মিষ্টি রান্নায়ও নুন এক বিশেষ উপাদান। কেক হোক বা পুডিং, সামান্য নুন দিলে মিষ্টির স্বাদ আরও বেড়ে যায়। যদিও মিষ্টিতে নুন থাকে না বা কম থাকে, তবু একটু নুন মেশালে খাবারের স্বাদ ভারসাম্যপূর্ণ ও আকর্ষণীয় হয়।
সুতরাং রান্নায় নুনের গুরুত্ব শুধুই স্বাদ বাড়ানো নয়, এটি রান্নার অনেক কাজ সহজ করে দেয়। একটু সচেতন হলে এই সাধারণ উপাদানটিকে আপনি আপনার রান্নায় আরও দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করতে পারবেন। মনে রাখবেন, এক চিমটে নুনেই অনেক মজার রেসিপি ফুটে উঠতে পারে!
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলা উচিত ভারতের? সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের যুক্তিতে কী আছে