এআইএফএফ লাইসেন্সিংয়ে ধাক্কা
ভারতীয় ফুটবলের ২০২৬-২৭ মরসুম ঘিরে বড় সিদ্ধান্ত নিল সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা (AIFF)। ক্লাব লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ার ফল প্রকাশে দেখা গেল— কলকাতার তিন প্রধানের মধ্যে শুধু ইস্টবেঙ্গল শর্তসাপেক্ষে ছাড় পেলেও মোহনবাগান ও মহমেডান স্পোর্টিংয়ের আবেদন খারিজ হয়েছে।
কী সিদ্ধান্ত নিল এআইএফএফ?
ফেডারেশনের ক্লাব লাইসেন্সিং কমিটির বৈঠকের পর জানানো হয়েছে, মোট ১৪টি ক্লাবের মধ্যে—
✅ শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন পাওয়া ক্লাব (৭টি):
- ইস্টবেঙ্গল
- নর্থইস্ট ইউনাইটেড
- জামশেদপুর এফসি
- মুম্বই সিটি এফসি
- বেঙ্গালুরু এফসি
- এফসি গোয়া
- পঞ্জাব এফসি
👉 তবে এই অনুমোদন “শর্তসাপেক্ষ”— অর্থাৎ নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলেই লাইসেন্স কার্যকর হবে।
❌ আবেদন খারিজ হওয়া ক্লাব (৭টি):
- মোহনবাগান
- মহমেডান স্পোর্টিং
- ওড়িশা এফসি
- স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি
- চেন্নাইয়িন এফসি
- কেরালা ব্লাস্টার্স
- ইন্টার কাশী
⚠️ কেন গুরুত্বপূর্ণ এই লাইসেন্সিং?
AIFF-এর এই লাইসেন্সিং হল ক্লাব ফুটবলের “এন্ট্রি পাস”।
👉 এটি ছাড়া কোনো ক্লাব জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পেশাদার টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারে না।
👉 ক্লাবের আর্থিক স্বচ্ছতা, পরিকাঠামো, প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা ও বকেয়া অর্থ— সবকিছুই যাচাই করা হয়।
🧾 মোহনবাগান ও মহমেডান কেন ফেল করল?
যদিও নির্দিষ্ট কারণ প্রকাশ করা হয়নি, ফেডারেশনের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত যেসব কারণে ক্লাবের লাইসেন্স আটকে যায়—
- বকেয়া অর্থ বা আর্থিক অনিয়ম
- অংশগ্রহণ ফি সংক্রান্ত সমস্যা
- প্রশাসনিক বা পরিকাঠামোগত ঘাটতি
👉 ধারণা করা হচ্ছে, এই ধরনের কারণগুলোর কোনও এক বা একাধিক বিষয়েই সমস্যা হয়েছে।
🔄 কি এখনই শেষ সিদ্ধান্ত?
না। AIFF জানিয়েছে, যেসব ক্লাবের আবেদন বাতিল হয়েছে, তারা—
- পুনরায় আবেদন করতে পারবে
- বা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করে ছাড় পাওয়ার চেষ্টা করতে পারবে
👉 অর্থাৎ এখনও “আপিলের সুযোগ” খোলা আছে।
🏁 ইস্টবেঙ্গলের জন্য স্বস্তি, অন্যদের জন্য চাপ
ইস্টবেঙ্গল শর্তসাপেক্ষে হলেও অনুমোদন পাওয়ায় কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছে। তবে মোহনবাগান ও মহমেডানের জন্য এটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা