জ্ঞানেশের ইস্তফার দাবিতে বিক্ষোভ, আটক বহু!
শুক্রবারের পর শনিবারও দিল্লির যন্তর মন্তর ঘিরে উত্তেজনা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে ফের পথে নামে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (AISA)-সহ কয়েকটি ছাত্র সংগঠন। যন্তর মন্তরের দিকে মিছিল করে যাওয়ার চেষ্টা করতেই ব্যারিকেড দিয়ে তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। বেশ কয়েক জনকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার সকাল থেকেই নয়াদিল্লির বিভিন্ন জায়গায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। যন্তর মন্তরের দিকে যাওয়ার রাস্তায় বসানো হয় ব্যারিকেড। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, অনুমতি ছাড়া ওই এলাকায় জমায়েত বা মিছিল করা যাবে না। শুক্রবারের বিক্ষোভের পর শনিবারও একই ভাবে আন্দোলনকারীদের আটকানোর ব্যবস্থা করা হয়।
শুক্রবারের কর্মসূচির পর শনিবার ফের আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন AISA-র জাতীয় সভাপতি নেহা বোরাও। দুপুর ১টা থেকে বিভিন্ন জায়গায় জমায়েত করে যন্তর মন্তরের দিকে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁদের। জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার পাশাপাশি ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে উদ্বেগের কথাও জানিয়েছে আন্দোলনকারীরা।
শুক্রবারের বিক্ষোভে AISA, SFI, NSUI-সহ ছাত্র সংগঠনের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরাও যোগ দিয়েছিলেন। পুলিশ জানিয়েছিল, যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের অনুমতি ছিল না। ব্যারিকেড পেরিয়ে এগোনোর চেষ্টা করলে বহু মানুষকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে AISA নেত্রী নেহা বোরার পাশাপাশি আপ নেত্রী তথা দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আতিশী, সौरভ ভরদ্বাজ এবং সমাজকর্মী যোগেন্দ্র যাদবও ছিলেন।
এই বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগও উঠেছে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পুলিশ তাঁদের মিছিল আটকেছে এবং জোর করে সরিয়ে দিয়েছে। অন্য দিকে পুলিশের বক্তব্য, অনুমতি ছাড়া জমায়েত এবং নিষেধাজ্ঞা অমান্যের কারণেই আটক করা হয়েছে। শুক্রবারের ঘটনার পর দিল্লি পুলিশ তিনটি FIR-ও দায়ের করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই মামলাগুলিতে কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনকে এখনও অভিযুক্ত হিসাবে নাম দেওয়া হয়নি।
জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি ঘিরে দিল্লির পাশাপাশি দেশের অন্য শহরেও কর্মসূচি হচ্ছে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, SIR-এর মাধ্যমে ভোটার তালিকায় অনিয়ম হয়েছে এবং বহু ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগগুলি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কও চলছে।
এ দিকে, ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেও আগামী ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে ফের কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন। তাঁর ঘোষণা, জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে আন্দোলন আরও ছড়ানো হবে। তবে তাঁর এই রাজনৈতিক দাবি ও কর্মসূচির ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নির্ভর করবে প্রশাসনের অনুমতি এবং পরবর্তী পরিস্থিতির উপর।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।