আবার মুখোমুখি Mohun Bagan Super Giant ও জাতীয় দল, ইউনিটি কাপ ঘিরে নতুন বিতর্ক

আবার মুখোমুখি Mohun Bagan Super Giant! ভারতীয় ফুটবলে ফের তৈরি হল ক্লাব বনাম জাতীয় দলের টানাপড়েন। এ বার কেন্দ্রবিন্দুতে Mohun Bagan Super Giant। ইউনিটি কাপে অংশ নিতে ভারতীয় দলের সাত…

May 25, 2026
1 min read

আবার মুখোমুখি Mohun Bagan Super Giant!

ভারতীয় ফুটবলে ফের তৈরি হল ক্লাব বনাম জাতীয় দলের টানাপড়েন। এ বার কেন্দ্রবিন্দুতে Mohun Bagan Super Giant। ইউনিটি কাপে অংশ নিতে ভারতীয় দলের সাত ফুটবলারের লন্ডনে যাওয়ার কথা থাকলেও তাঁদের ছাড়তে রাজি হয়নি সবুজ-মেরুন শিবির।

ভারতের হয়ে খেলতে ডাক পেয়েছিলেন লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিংহ, আপুইয়া, সাহাল সামাদ, অনিরুদ্ধ থাপা, অভিষেক সিংহ এবং বিশাল কাইথ। রবিবার সন্ধ্যায় তাঁদের রওনা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মোহনবাগান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ফিফা উইন্ডো শুরুর আগে তারা কোনও ফুটবলার ছাড়বে না।

ইউনিটি কাপে ভারতের প্রথম ম্যাচ আগামী ২৭ মে, প্রতিপক্ষ জামাইকা। কিন্তু ফিফা উইন্ডো শুরু হচ্ছে ১ জুন থেকে। সেই কারণেই আপত্তি তুলেছে মোহনবাগান। ক্লাবের এক কর্তা সংবাদ সংস্থাকে বলেন, “ফিফা উইন্ডো শুরু হওয়ার দিন থেকেই ফুটবলার ছাড়া হবে। তার আগে নয়।”

মোহনবাগানের বক্তব্য, নির্ধারিত সময়ের বাইরে জাতীয় দলে খেলতে গিয়ে কেউ চোট পেলে তার দায় ক্লাব নেবে না। ক্লাবের দাবি, অতীতে জাতীয় দলের হয়ে খেলতে গিয়ে শুভাশিস বসু ও আশিক কুরুনিয়ন চোট পেয়েছিলেন, কিন্তু সেই ক্ষেত্রে কোনও ক্ষতিপূরণ দেয়নি ফেডারেশন।

ক্লাবকর্তার কথায়, “ফুটবলাররা চাইলে জাতীয় দলে যোগ দিতে পারে। কিন্তু ১ জুনের আগে কেউ চোট পেলে তার দায়িত্ব মোহনবাগান নেবে না। ফিফা উইন্ডো চলাকালীন চোট পেলে ফিফা ক্ষতিপূরণ দেয়, তার আগে নয়।”

ভারতীয় ফুটবলে এই ক্লাব বনাম ফেডারেশন সংঘাত নতুন নয়। গত বছরও জাতীয় দলের দায়িত্বে গিয়ে শুভাশিসের চোট নিয়ে মোহনবাগান সরব হয়েছিল। সেই সময় ক্লাব অভিযোগ করেছিল, ফুটবলারের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। যদিও ফেডারেশন সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছিল।

অন্য দিকে, East Bengal FC জাতীয় দলের জন্য ফুটবলার ছাড়তে রাজি হয়েছে। ক্লাবকর্তা দেবব্রত সরকার জানিয়েছেন, দেশের ফুটবলই সবার আগে। তবে চোটের কারণে Anwar Ali ইউনিটি কাপে যাচ্ছেন না। জিকসন সিংহের বিষয়েও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

দেবব্রতর বক্তব্য, “দেশের ফুটবল না এগোলে ক্লাব ফুটবলও এগোবে না। তাই আমরা ফুটবলারদের যেতে দিয়েছি।”

এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, জাতীয় দলের সূচি এবং ক্লাবের স্বার্থের মধ্যে সমন্বয় কোথায়? বিশেষ করে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা যখন ফিফা উইন্ডোর বাইরের সময়ে আয়োজন করা হচ্ছে, তখন ভারতীয় ফুটবলে এমন সংঘাত আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন অনেকেই।

স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *