অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক সিরিজ় জয় বাংলাদেশের, মুস্তাফিজের দাপটে নতুন নজির নাজমুলদের

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক সিরিজ় জয় বাংলাদেশের! বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে আরও একটি স্মরণীয় অধ্যায় যুক্ত হল। ২০০৫ সালে কার্ডিফে প্রথমবার একদিনের ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে চমক দিয়েছিল টাইগাররা। দুই দশকেরও বেশি সময়…

June 12, 2026
1 min read

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক সিরিজ় জয় বাংলাদেশের!

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে আরও একটি স্মরণীয় অধ্যায় যুক্ত হল। ২০০৫ সালে কার্ডিফে প্রথমবার একদিনের ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে চমক দিয়েছিল টাইগাররা। দুই দশকেরও বেশি সময় পরে এবার তারা গড়ল আরও বড় ইতিহাস— প্রথমবারের মতো একদিনের আন্তর্জাতিক সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে হারাল বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ৫ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে সিরিজ নিজেদের দখলে নেয় নাজমুল হোসেন শান্তর দল। বৃষ্টির কারণে দীর্ঘ সময় খেলা বন্ধ থাকায় বাংলাদেশের সামনে সংশোধিত লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪১ ওভারে ১৯২ রান। সেই লক্ষ্য ৬ ওভার হাতে রেখেই পেরিয়ে যায় স্বাগতিকরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। দলীয় রান শূন্য থাকতেই ফিরে যান ম্যাথু শর্ট, কুপার কনোলি এবং ম্যাট রেনশ। জশ ইংলিস ৩৪ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও ৮১ রানের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার ছয় উইকেট পড়ে যায়।

সেখান থেকে দলকে লড়াইয়ে ফেরান মার্নাস লাবুশেন ও জেভিয়ার বার্টলেট। সপ্তম উইকেটে তাঁদের ১০৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি অস্ট্রেলিয়াকে সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছে দেয়। বার্টলেট করেন ৫২ রান, আর লাবুশেন অপরাজিত থাকেন ৫৫ রানে।

বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের নেতৃত্ব দেন বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। তাঁর নিয়ন্ত্রিত বোলিং অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপকে শুরুতেই ভেঙে দেয়। নতুন বলে বাংলাদেশের আক্রমণ ছিল ধারালো এবং পরিকল্পিত।

রান তাড়ায় নেমেও শুরুটা ভাল হয়নি বাংলাদেশের। শূন্য রানে ফিরে যান তানজিদ হাসান তামিম। তবে এরপর সৌম্য সরকার ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন। দ্বিতীয় উইকেটে ৮৬ রানের জুটি গড়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে আসেন তাঁরা।

সৌম্য ৪২ এবং শান্ত ৪১ রান করে দলের ভিত শক্ত করেন। মাঝের দিকে কয়েকটি উইকেট দ্রুত পড়লেও বাংলাদেশের জয় নিয়ে খুব বেশি সংশয় তৈরি হয়নি। শেষ পর্যন্ত ঠান্ডা মাথায় লক্ষ্য তাড়া করে ইতিহাস গড়ে স্বাগতিকরা।

ম্যাচে এক নাটকীয় ঘটনাও ঘটে। নেথান এলিসের একটি বল মেহেদি হাসান মিরাজের হেলমেটে আঘাত করে। তিনি মাঠেই অসুস্থ বোধ করেন এবং বমি করেন। স্ট্রেচার আনা হলেও তিনি মাঠ ছাড়তে রাজি হননি। পরে তিনিই জয়ের রান তুলে দলকে ঐতিহাসিক সাফল্য এনে দেন।

ম্যাচ শেষে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত জানান, সতর্কতামূলক পর্যবেক্ষণের জন্য মেহেদিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে সিরিজ জয় বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য নিঃসন্দেহে এক বড় মাইলফলক। আসন্ন বড় টুর্নামেন্টগুলির আগে এই সাফল্য টাইগারদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেবে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *