কখন কোনটি দিলে মিলবে আরাম!
পুজোর সাজে হিল পরে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে ভিড়ের মধ্যে পা মচকে গেলে মুহূর্তে মাটি হতে পারে আনন্দ। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই বুঝতে পারেন না, ব্যথা কমাতে ঠান্ডা সেঁক দেবেন, না কি গরম। অথচ ভুল পদ্ধতি বেছে নিলে ফোলা ও যন্ত্রণা আরও বাড়তে পারে। তাই জেনে নেওয়া জরুরি, কখন কোন সেঁক উপকারী।
নতুন করে পা মচকালে ঠান্ডা সেঁক
পা মচকে যাওয়ার পরপরই ব্যথা ও ফোলা দেখা দিলে ঠান্ডা সেঁক আরাম দিতে পারে। বরফের ঠান্ডায় ব্যথা কিছুটা কমে এবং ফোলা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য হয়। বিশেষ করে আঘাতের প্রথম ২৪-৪৮ ঘণ্টায় ঠান্ডা সেঁক বেশি উপযোগী।
তবে সরাসরি ত্বকের উপর বরফ রাখা উচিত নয়। পাতলা তোয়ালে বা কাপড়ে বরফ মুড়ে ১৫-২০ মিনিট সেঁক দিন। প্রয়োজন হলে কয়েক ঘণ্টা অন্তর এই পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়। সেঁক দেওয়ার পাশাপাশি পা বিশ্রামে রাখুন এবং সম্ভব হলে কিছুটা উঁচুতে তুলে রাখুন। ব্যথা বাড়িয়ে হাঁটাচলা করবেন না।
কখন গরম সেঁক দেবেন?
গরম সেঁক পেশির আড়ষ্টতা কমাতে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে। দীর্ঘদিনের পেশির ব্যথা, ঘাড়-কাঁধের টান কিংবা আঘাত সেরে যাওয়ার পর থেকে যাওয়া জড়তা কমাতে এটি কার্যকর হতে পারে।
কিন্তু সদ্য পা মচকে গেলে, বিশেষত ফোলা ও প্রদাহ থাকলে, প্রথম দিকে গরম সেঁক এড়িয়ে চলুন। তাতে ফোলা বাড়তে পারে। আঘাতের প্রাথমিক পর্যায় পেরিয়ে ফোলা কমলে এবং তীব্র ব্যথা না থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী হালকা গরম সেঁক ব্যবহার করা যেতে পারে।
পা মচকে গেলে কী করবেন?
- বিশ্রাম নিন: ব্যথা বাড়ে এমন হাঁটাচলা এড়িয়ে চলুন।
- ঠান্ডা সেঁক দিন: কাপড়ে মোড়ানো বরফ ১৫-২০ মিনিট ব্যবহার করুন।
- পা উঁচুতে রাখুন: ফোলা কমাতে সাহায্য হতে পারে।
- জোর করে হাঁটবেন না: ব্যথা উপেক্ষা করে চলাফেরা করলে চোট বাড়তে পারে।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি?
পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়াতে বা হাঁটতে না পারলে, তীব্র ব্যথা বা বেশি ফোলা থাকলে কিংবা পা অসাড়, ঠান্ডা বা নীলচে হয়ে গেলে দ্রুত চিকিৎসা নিন। হাড় ভাঙা বা গুরুতর লিগামেন্টের চোটও মচকে যাওয়ার মতো মনে হতে পারে। ব্যথা ও ফোলা না কমলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
পুজোর সাজে হিল যতই আকর্ষণীয় হোক, পায়ের আরাম ও নিরাপত্তাই আগে। ভিড়ের মধ্যে সাবধানে হাঁটুন এবং চোট পেলে অবহেলা করবেন না।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।