সহবাগ-পুত্রের বিধ্বংসী ইনিংস!
বীরেন্দ্র সহবাগের ছেলে আর্যবীর সহবাগের ব্যাটে রানের ঝড়। বিনু মাঁকড় ট্রফিতে চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধে ১৪৩ বলে ১৭৩ রান করলেন দিল্লির অধিনায়ক। তাঁর ইনিংসে ছিল ১৯টি চার ও আটটি ছক্কা। কিন্তু এমন দুর্দান্ত ব্যাটিংয়েও দলকে জেতাতে পারলেন না তিনি। অন্য দিকে, একই প্রতিযোগিতায় রাহুল দ্রাবিড়ের ছেলে অন্বয় দ্রাবিড়ও ব্যাট হাতে নজর কাড়লেন। ১০০ বলে ১৫১ রান করেও দলকে জেতাতে পারেননি তিনি।
প্রথম ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে ফর্মে আর্যবীর
প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচে কর্নাটকের বিরুদ্ধে ৪১৮ রান দিয়েও মাত্র ২২০ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিল দিল্লি। সেই ম্যাচে আর্যবীর করেছিলেন ৩২ রান। তবে চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচেই ছন্দে ফিরলেন তিনি।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে অর্ণব বাগ্গার সঙ্গে প্রথম উইকেটে ৯৮ রান যোগ করেন আর্যবীর। অর্ণবের অবদান ৪৭ রান। পরে চতুর্থ উইকেটে অভিরাজ সিংহের সঙ্গে ৪৮ রানের জুটি গড়েন তিনি। পর পর উইকেট হারিয়ে দিল্লির স্কোর যখন ১৭৯/৪, তখনও ক্রিজ়ে টিকে ছিলেন আর্যবীর।
এর পর শান্তনু যাদবের সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে ৮৯ রান যোগ করে দলকে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছে দেন তিনি। একের পর এক সতীর্থ আউট হলেও নিজের আগ্রাসী ব্যাটিং চালিয়ে যান সহবাগ-পুত্র। ১৪৩ বলে ১৭৩ রানের ইনিংসে চার ও ছক্কার বন্যা বইয়ে দেন তিনি।
কিন্তু আর্যবীরের এই লড়াই শেষ পর্যন্ত বৃথা যায়। চণ্ডীগড়ের রূপেশ যাদব ১২৫ বলে ১৬৭ রান করে তাঁর দলকে পাঁচ উইকেটে জয় এনে দেন। রূপেশের ইনিংসে ছিল ২৩টি চার ও পাঁচটি ছক্কা। ফলে সহবাগ-পুত্রের বড় রানও দিল্লিকে হার থেকে বাঁচাতে পারেনি।
অন্বয়ের ১৫১ রানেও জয় অধরা
অন্য দিকে, গুজরাতের বিরুদ্ধে কর্নাটকের হয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন অন্বয় দ্রাবিড়। ১০০ বলে ১৫১ রান করে দলকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তৃতীয় উইকেটে ধ্রুব কৃষ্ণনের সঙ্গে তাঁর ২০৪ রানের জুটি কর্নাটককে শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করায়। কিন্তু অন্বয় আউট হওয়ার পর ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায় গুজরাত। শেষ পর্যন্ত পাঁচ রানে হারতে হয় কর্নাটককে।
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধেও রান করেছেন আর্যবীর
সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে যুব দলের এক দিনের সিরিজ়েও রান পেয়েছিলেন আর্যবীর। প্রথম ম্যাচে ২৬ বলে ২৮ রান করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে করেন ৪৭। শেষ ম্যাচে তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৩৪ রান। এ বার বিনু মাঁকড় ট্রফিতে বড় ইনিংস খেলে নিজের ফর্মের আরও একটি ঝলক দেখালেন তিনি। তবে সহবাগ-পুত্র ও দ্রাবিড়-পুত্র—দু’জনেরই ব্যক্তিগত সাফল্য শেষ পর্যন্ত দলের জয়ে পরিণত হল না।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।