ঘুষকাণ্ডে ধৃত হুগলির সরকারি ইঞ্জিনিয়ারের পরিবারের সম্পত্তি ১.৩২ কোটি! পাঁচ বছরে বৃদ্ধির দাবি

ঘুষকাণ্ডে ধৃত হুগলির সরকারি ইঞ্জিনিয়ারের পরিবারের! ঠিকাদারের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে হুগলি জেলা পরিষদের সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার সুমন দাসকে গ্রেফতারের পর তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন তথ্য। দুর্নীতিদমন…

October 8, 2026
1 min read

ঘুষকাণ্ডে ধৃত হুগলির সরকারি ইঞ্জিনিয়ারের পরিবারের!

ঠিকাদারের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে হুগলি জেলা পরিষদের সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার সুমন দাসকে গ্রেফতারের পর তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন তথ্য। দুর্নীতিদমন শাখার দাবি, গত পাঁচ বছরে সুমন এবং তাঁর পরিবারের সম্পত্তির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, পরিবারের মোট সম্পত্তির আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা।

গত মঙ্গলবার সুমনকে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশের দুর্নীতিদমন শাখা। অভিযোগ, সরকারি কাজের বরাত পাইয়ে দেওয়ার জন্য ঠিকাদারদের কাছে টাকা চাইতেন তিনি। গ্রেফতারের পর চুঁচুড়ায় সুমনের বাড়িতে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। মঙ্গল ও বুধবারের তল্লাশিতে সম্পত্তি এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত ৭৩টি নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর।

ওই নথিপত্রের প্রাথমিক যাচাইয়ের পরেই পরিবারের সম্পত্তির হিসাব সামনে আসে বলে দাবি তদন্তকারীদের। গত পাঁচ বছরে সম্পত্তির এই বৃদ্ধি কী ভাবে হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সুমন এবং তাঁর পরিবারের আয়, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, বিনিয়োগ ও অন্যান্য আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে দুর্নীতিদমন শাখা।

ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের সূত্রপাত হুগলির পোলবার এক ঠিকাদারের অভিযোগ থেকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত প্রকল্পের অধীনে প্রায় ১ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি সরকারি রাস্তা তৈরির কাজ পেয়েছিলেন ওই ঠিকাদার। ২০২৩ সালে কাজের আদেশনামা জারি হয় এবং ২০২৫ সালের শেষের দিকে কাজ শেষ হয়। কিন্তু অভিযোগকারীর দাবি, টেন্ডারের জন্য জমা দেওয়া টাকা তিনি ফেরত পাননি।

এই অভিযোগের ভিত্তিতে সুমনকে ধরতে ফাঁদ পাতেন দুর্নীতিদমন শাখার আধিকারিকেরা। ঘুষের টাকা দেওয়ার নামে এক ব্যক্তির মাধ্যমে সুমনের কাছে ২০ হাজার টাকা পাঠানো হয়। নোটগুলিতে বিশেষ রাসায়নিক মাখানো ছিল। টাকা নেওয়ার পর তদন্তকারীরা সুমনকে হাত ধুতে বলেন। তাঁর হাত থেকে বেগনি রং উঠতেই ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের প্রমাণ মেলে বলে দাবি পুলিশের। এরপর জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

এখন মূল তদন্তের পাশাপাশি সুমন ও তাঁর পরিবারের সম্পত্তি বৃদ্ধির উৎসও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগগুলি প্রমাণিত হয়েছে কি না, তা তদন্ত এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়াতেই স্পষ্ট হবে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *