স্মিতের উপর হামলার পরেও অভিযুক্ত পাইলটকে ছাড়তে বলেছিলেন কর্মীরা? ‘পুলিশ না আসা পর্যন্ত ছাড়ব না’, দাবি যাত্রীদের

স্মিতের উপর হামলার পরেও অভিযুক্ত পাইলটকে ছাড়তে বলেছিলেন কর্মীরা? ককপিটে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার পর পরিস্থিতি সামলাতে এগিয়ে এসেছিলেন বিমানের যাত্রীরাই। অভিযোগ, সহ-পাইলট হামাম আল-হাম্মামিকে তাঁরা ধরে বেঁধে…

October 4, 2026
1 min read

স্মিতের উপর হামলার পরেও অভিযুক্ত পাইলটকে ছাড়তে বলেছিলেন কর্মীরা?

ককপিটে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার পর পরিস্থিতি সামলাতে এগিয়ে এসেছিলেন বিমানের যাত্রীরাই। অভিযোগ, সহ-পাইলট হামাম আল-হাম্মামিকে তাঁরা ধরে বেঁধে রাখার পর ফ্লাইদুবাইয়ের কয়েক জন কর্মী তাঁকে ছেড়ে দিতে বলেছিলেন। তবে যাত্রীরা তাতে রাজি হননি। তাঁদের বক্তব্য ছিল, পুলিশ না আসা পর্যন্ত অভিযুক্তকে ছাড়া হবে না।

৩০ সেপ্টেম্বর দুবাই থেকে তেল আভিভের উদ্দেশে উড়েছিল ফ্লাইদুবাইয়ের এফজ়েড ১০৭৩ বিমান। মাঝ-আকাশে ককপিটে সহ-পাইলটের সঙ্গে স্মিতের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। UAE কর্তৃপক্ষের পরবর্তী তদন্তে বলা হয়েছে, হামাম আল-হাম্মামি জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহারের কুঠার দিয়ে ক্যাপ্টেনকে আক্রমণ করেন এবং বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন। ঘটনাটিকে ‘সন্ত্রাসবাদী হামলার চেষ্টা’ হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে।

গুরুতর আহত অবস্থাতেও স্মিত ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। তাঁর বেরিয়ে আসার পর কয়েক জন যাত্রী দ্রুত ককপিটে ঢুকে হামামকে নিয়ন্ত্রণে আনেন। হেডফোনের তার দিয়ে তাঁর হাত বেঁধে দেওয়া হয়। এর পর বিমানের নিয়ন্ত্রণ সামলাতে এগিয়ে আসেন দু’জন অফ-ডিউটি পাইলটও। শেষ পর্যন্ত বিমানটি সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করে।

ঘটনার পর প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিয়োয় হামামকে হাঁটু মুড়ে বসে থাকতে এবং তাঁর হাত পিছনে বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়। ভিডিয়োয় যাত্রীদের পুলিশ আসা পর্যন্ত তাঁকে আটকে রাখার কথা বলতে শোনা যায়।

‘নিউ ইয়র্ক পোস্ট’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যাত্রী টিজ়বিকা মানেসও দাবি করেছেন, বিমানের কর্মীরা হামামের বাঁধন খুলে দিতে বলেছিলেন। তাঁর কথায়, কেন তাঁরা এমন বলছিলেন, তা তিনি বুঝতে পারেননি। সামনের দিকে বসা আর এক যাত্রী ড্যানিয়েল স্ক্লিচটারও একই ধরনের দাবি করেছেন।

মানেস জানিয়েছেন, যাত্রীরা হামামকে মারতে চাননি। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল তাঁকে নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া। যাত্রীদের আশঙ্কা ছিল, তাঁকে ছেড়ে দিলে ফের বিপদ ঘটতে পারে।

তবে কর্মীদের উদ্দেশ্য বা তাঁরা সত্যিই হামামকে ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন কি না, তা স্বাধীন ভাবে নিশ্চিত হয়নি। বিমানের ভিতরের ঘটনাগুলি নিয়ে তদন্ত এখনও চলছে। UAE কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার কারণ, হামাম কী ভাবে পরিকল্পনা করেছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে অন্য কারও যোগ ছিল কি না, সবই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ দিকে আহত স্মিতের দ্রুত ককপিটের দরজা খোলার সিদ্ধান্ত এবং যাত্রীদের তৎপরতাকেই বড় বিপদ এড়ানোর অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামলার পূর্ণ উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয়।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow
Explore More on These Topics

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *