গোবিন্দ-সুনীতার দাম্পত্য জল্পনায় সরব কুবরা!
গোবিন্দ এবং সুনীতা আহুজার দাম্পত্য নিয়ে সমাজমাধ্যমে জল্পনা থামার নাম নেই। তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা আলোচনা, মন্তব্য এবং ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে। এ বার সেই প্রবণতা নিয়েই সরব হলেন অভিনেত্রী কুবরা সৈত। তাঁর প্রশ্ন, তারকাদের অনুরাগী থেকে কখন সাধারণ মানুষ তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনের ‘গোয়েন্দা’ হয়ে উঠলেন?
সমাজমাধ্যমে প্রকাশ করা একটি ভিডিয়োয় কুবরা বলেন, “বলুন তো, কবে থেকে আপনারা অনুরাগী থেকে ব্যক্তিগত গোয়েন্দা হয়ে গেলেন?” গোবিন্দের প্রতি নিজের পুরনো ভাল লাগার কথাও জানান তিনি। নব্বইয়ের দশকে অভিনেতার বিপুল জনপ্রিয়তার কথা উল্লেখ করে কুবরা জানান, গোবিন্দের ছবি দেখতে দেখতেই তিনি বড় হয়েছেন।
তাঁর বক্তব্যের কেন্দ্রে রয়েছে গোবিন্দের ‘রূপা’ ছবির সহ-অভিনেত্রী কোমল রানি স্বর্ণকারকে ঘিরে তৈরি হওয়া জল্পনা। সমাজমাধ্যমের একাংশে কোমলকে গোবিন্দের ‘রহস্যময়ী প্রেমিকা’ বলে দাবি করা হচ্ছে। সেই দাবি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন কুবরা।
অভিনেত্রীর কথায়, “এখন ২০২৬ সালে যদি কোনও মেয়ে তাঁর পাশে থাকে, তাঁর আশপাশে নিঃশ্বাস নেয়, তাহলেই সে রহস্যময়ী নারী হয়ে যায়। কী ভাবে আপনারা সিদ্ধান্তে পৌঁছোলেন যে কোমল গোবিন্দের প্রেমিকা?”
তবে গোবিন্দকে ব্যক্তিগত ভাবে চেনেন না বলে স্পষ্ট করেছেন কুবরা। অন্য দিকে সুনীতার সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছে এবং সেই অভিজ্ঞতা থেকে সুনীতার প্রতি তাঁর ভাল ধারণা তৈরি হয়েছে। কুবরার কথায়, সুনীতা “দারুণ মানুষ”, মজার, স্পষ্টভাষী, সাহসী এবং অসাধারণ।
সুনীতাকে নিয়েও কুবরার প্রশ্ন, কোনও গুজব ছড়ালেই কেন বার বার তাঁকেই নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে হবে? কোনও পুরুষের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে জল্পনা তৈরি হলে কেন একজন মহিলাকেই বার বার তার উত্তর দিতে হবে—এই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
সেখান থেকেই আরও বড় সামাজিক প্রসঙ্গে পৌঁছে যান কুবরা। তাঁর মতে, সমাজমাধ্যমে কাউকে নিয়ে মন্তব্য করার আগে তাঁর ব্যক্তিগত মর্যাদার কথা মনে রাখা উচিত। গোবিন্দ ও সুনীতাকে নিয়ে তৈরি কুরুচিকর মন্তব্য এবং শুধু মানুষের নজর কাড়ার জন্য বানানো ভিডিয়োরও সমালোচনা করেন তিনি।
শেষে কুবরার বার্তা, “ভাল কিছু বলার না থাকলে কিছুই বলবেন না।”
নিজের ভিডিয়োর সঙ্গে আরও একটি বার্তা লেখেন অভিনেত্রী। সেখানে তিনি মানুষকে ‘বিচারক’ না হয়ে সত্য যাচাই করে, বিবেচনা দিয়ে কথা বলার আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্যের মূল সুর—সমাজমাধ্যমে কাউকে নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে মানুষের মতোই ভাবতে এবং সংবেদনশীল হতে শেখা জরুরি।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।