মেয়েদের নয়, ছেলেদের এমন ভাবে বড় করুন, যাতে অন্যের ক্ষতি না করে!
মেয়েদের কী ভাবে নিরাপদে থাকতে হবে, সেই শিক্ষা ছোট থেকেই দেওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু ছেলেদের বড় করার সময় কি একই ভাবে শেখানো হয় সম্মতি, ব্যক্তিগত পরিসর কিংবা প্রত্যাখ্যানকে সম্মান করার কথা? সমাজমাধ্যমে এমনই প্রশ্ন তুললেন অভিনেত্রী দিয়া মির্জ়া।
মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রামে নিজের ভাবনা ভাগ করে নেন দিয়া। তাঁর বক্তব্য, শুধু মেয়েদের সতর্ক করে নিরাপত্তার দায়িত্ব তাঁদের উপর চাপিয়ে না দিয়ে ছেলেদেরও এমন মূল্যবোধে বড় করা প্রয়োজন, যাতে তারা কখনও অন্যের ক্ষতির কারণ না হয়।
নিজের ছেলে অভিয়ান আজ়াদ রেখিকে বড় করার ক্ষেত্রেও এই বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দেন বলে জানান অভিনেত্রী। তাঁর কাছে যত্ন, সম্মান, সহমর্মিতা এবং সদয় আচরণ শুধু কথার বিষয় নয়, প্রতিদিনের জীবনে সন্তানকে শেখানোর মতো মূল্যবোধ। অন্যের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করা এবং কেউ অস্বস্তিতে রয়েছে কি না, তা বুঝতে শেখাও সেই শিক্ষার অংশ।
সম্মতির প্রসঙ্গেও দিয়ার অবস্থান স্পষ্ট। তাঁর মতে, কেউ সরাসরি ‘না’ বলেনি বলেই সেটিকে সম্মতি ধরে নেওয়া যায় না। কোনও সম্পর্ক বা ঘনিষ্ঠতার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বতঃস্ফূর্ত এবং স্বচ্ছন্দ সম্মতিই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রত্যাখ্যান মেনে নেওয়ার শিক্ষার উপরেও জোর দিয়েছেন অভিনেত্রী। কারও প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করার পর সেই ব্যক্তি সাড়া না দিলে বা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে সেটিকে অপমান হিসেবে দেখা উচিত নয়। বরং অন্যের সিদ্ধান্তকে সম্মান করা এবং সেই প্রত্যাখ্যান মেনে নেওয়াও বড় হয়ে ওঠার গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা বলে মনে করেন তিনি।
২০২১ সালের ১৪ মে দিয়ার পুত্রসন্তান অভিয়ানের জন্ম। বর্তমানে তাঁর বয়স পাঁচ বছর। মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা থেকেই সন্তানকে কী ধরনের মূল্যবোধে বড় করতে চান, সে বিষয়ে একাধিক বার নিজের মত জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে যখন ফের নানা প্রশ্ন উঠছে, সেই আবহে দিয়ার বক্তব্য আলোচনাটিকে অন্য দিক থেকেও দেখতে বলছে। শুধু মেয়েদের সাবধান করে দেওয়াই নয়, ছেলেদেরও ছোটবেলা থেকে শেখানো হোক— অন্যের প্রতি সম্মান কী, ব্যক্তিগত সীমারেখা কোথায় এবং সম্মতির প্রকৃত অর্থ কী।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।