আকৃতি মামলায় মেধাকে নিয়ে নির্দেশ স্পষ্ট সুপ্রিম কোর্টের!
নয়ডায় শ্রমিক বিক্ষোভের ঘটনায় দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী আকৃতি চৌধুরীকে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে (এনএসএ) আটক করার মামলায় জেলাশাসক মেধা রূপমকে নিয়ে নিজেদের আগের নির্দেশ স্পষ্ট করল সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার শীর্ষ আদালত জানাল, এলাহাবাদ হাই কোর্টের ২ সেপ্টেম্বরের রায়ের উপর সামগ্রিক ভাবে কোনও স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়নি। স্থগিতাদেশের পরিধি নির্দিষ্ট।
বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মা এবং বিচারপতি এন কোটিশ্বর সিংহের বেঞ্চ জানিয়েছে, মেধার বিরুদ্ধে হাই কোর্টের করা কঠোর মন্তব্য এবং তাঁর বেতন থেকে ৫ লক্ষ টাকা কেটে আকৃতিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ আপাতত কার্যকর হবে না। সুপ্রিম কোর্টের সরকারি নথিতেও মেধা রূপম বনাম আকৃতি চৌধুরী মামলাটি ২৩ সেপ্টেম্বরের শুনানি হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছে।
বুধবারের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তুলেছিল, আটক করার সিদ্ধান্ত যদি একাধিক প্রশাসনিক স্তর পেরিয়ে আসে, তা হলে শুধুমাত্র জেলাশাসককে আলাদা করে দায়ী করা যায় কি না। মেধার আইনজীবী সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাও যুক্তি দেন, এনএসএ-তে আটক করার আগে একাধিক প্রশাসনিক স্তরে সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া চলে।
এর আগে ২ সেপ্টেম্বর আকৃতির এনএসএ-র অধীনে আটকাদেশ বাতিল করেছিল এলাহাবাদ হাই কোর্ট। প্রায় পাঁচ মাস হেফাজতে থাকার পর তাঁর মুক্তির পথ তৈরি হয়। একই সঙ্গে হাই কোর্ট মেধা রূপমের ভূমিকা নিয়ে কড়া মন্তব্য করে এবং আকৃতিকে ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেই অর্থ মেধার বেতন থেকে আদায়ের কথাও বলা হয়েছিল।
হাই কোর্টের পর্যবেক্ষণকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যান মেধা রূপম। উত্তরপ্রদেশ সরকারও পৃথক ভাবে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়। শুনানিতে মেধার পক্ষে বলা হয়, তাঁকে শুনানির সুযোগ না দিয়েই ব্যক্তিগত ভাবে কঠোর মন্তব্য করা হয়েছে। অন্য দিকে আকৃতির আইনজীবীর দাবি, এনএসএ প্রয়োগের পক্ষে যে অভিযোগগুলি করা হয়েছিল, তার যথেষ্ট প্রমাণ আদালতের সামনে হাজির করা হয়নি।
ফলে বৃহস্পতিবারের সংশোধিত নির্দেশের অর্থ হল, মেধা রূপমের বিরুদ্ধে হাই কোর্টের পুরো রায় আপাতত থেমে যায়নি। নির্দিষ্ট কিছু কঠোর পর্যবেক্ষণ এবং তাঁর বেতন থেকে ক্ষতিপূরণের টাকা আদায়ের নির্দেশের উপরই অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ বহাল রয়েছে। মামলার মূল আইনি প্রশ্নগুলির নিষ্পত্তি এখনও বাকি।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।