গুগ্‌লের অফিসে বিলাসিতার ছড়াছড়ি, বিনামূল্যে খাবার থেকে রান্নার প্রশিক্ষণ—তবু কর্মীদের ‘ডেডলাইন’ আতঙ্ক!

গুগ্‌লের অফিসে বিলাসিতার ছড়াছড়ি! সান ফ্রান্সিসকোয় গুগ্‌লের অফিসের অন্দরমহলের একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হতেই চর্চা শুরু হয়েছে কর্মীদের জন্য সংস্থাটির দেওয়া নানা সুবিধা নিয়ে। বিনামূল্যে খাবার, সারা দিন স্ন্যাক্স, খেলাধুলার…

August 19, 2026
1 min read

গুগ্‌লের অফিসে বিলাসিতার ছড়াছড়ি!

সান ফ্রান্সিসকোয় গুগ্‌লের অফিসের অন্দরমহলের একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হতেই চর্চা শুরু হয়েছে কর্মীদের জন্য সংস্থাটির দেওয়া নানা সুবিধা নিয়ে। বিনামূল্যে খাবার, সারা দিন স্ন্যাক্স, খেলাধুলার ব্যবস্থা থেকে শুরু করে রান্না শেখার সুযোগ—সব মিলিয়ে অফিসটি যেন কর্মক্ষেত্রের পাশাপাশি বিনোদনের জায়গাও। কিন্তু এত সুবিধার মাঝেও কর্মীদের কাজের চাপ এবং মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটাগরিকদের একাংশ।

সম্প্রতি ক্যাটরিন ইমানুয়েলা ক্লিদ্‌কি সান ফ্রান্সিসকোয় গুগ্‌লের একটি অফিস ঘুরে দেখার ভিডিয়ো ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করেন। তাঁর মূল উদ্দেশ্য ছিল সংস্থাটির বহুল আলোচিত খাবারের ব্যবস্থা দেখা। তবে ভিডিয়োয় উঠে আসে অফিসের আরও নানা চমকপ্রদ দিক।

গুগ্‌লের অফিসে কী কী সুবিধা?

সুবিধাকী রয়েছে
খাবারদিনে তিন বার বিনামূল্যে খাবার
স্ন্যাক্সচকোলেট বার, গ্র্যানোলা বার, চিপ্‌স, ফল
পানীয়কফি, ফ্লেভার্ড ওয়াটার ও ঠান্ডা পানীয়
রান্নাঘরপ্রতিটি তলাতেই রান্নাঘরের ব্যবস্থা
প্রশিক্ষণকর্মীদের রান্না শেখানোর সুযোগ
বিনোদনবোর্ড গেমের আলাদা ঘর
মিটিং স্পেস‘ব্যাক টু দ্য ফিউচার’ থিমে বিশেষ জায়গা
অন্যান্যআধুনিক বাথরুম ও প্রয়োজনীয় প্রসাধন সামগ্রী

সকালের খাবারে ডিম, দই, ফল, বেক্‌ড খাবার, বিস্কুট, কুকিজ়, কেক ও ক্রোসোঁর মতো নানা পদ থাকে। দুপুরে পিৎজা, স্যালাড, চিংড়ি, রিসোতো, পোক বোল কিংবা রামেনের মতো খাবারের বিকল্পও রয়েছে।

বোর্ড গেমের জন্য আলাদা ঘরও রয়েছে। কর্মীরা চাইলে বাড়িতে খেলার জন্য গেম ধার নিতে পারেন। প্রতি বৃহস্পতিবার সহকর্মীদের সঙ্গে বোর্ড গেম সেশনে অংশ নেওয়ার সুযোগও রয়েছে।

এত সুবিধা, তবু প্রশ্ন কর্মসংস্কৃতি নিয়ে

ভিডিয়োটি দেখে অনেকেই গুগ্‌লের অফিসের সুযোগ-সুবিধায় মুগ্ধ হয়েছেন। তবে অন্য একটি অংশের প্রশ্ন, এত আরামদায়ক পরিবেশ থাকলেও কর্মীদের কি আদৌ সেগুলি উপভোগ করার সময় থাকে?

নেটাগরিকদের একাংশের দাবি, প্রজেক্টের ডেডলাইন এবং কাজের চাপের কারণে কর্মীদের দীর্ঘ সময় অফিসে থাকতে হয়। ফলে বিনামূল্যের তিন বেলার খাবার কিংবা বিনোদনের সুযোগ কখনও কখনও সুবিধার পাশাপাশি দীর্ঘ কর্মঘণ্টার ইঙ্গিতও দিতে পারে।

মানসিক স্বাস্থ্য নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তাঁদের মতে, কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত সময় কাটানোর সংস্কৃতি থাকলে সুন্দর অফিস, ভালো খাবার কিংবা বিনোদনের ব্যবস্থা একাই কর্মীদের সুস্থ কর্মজীবন নিশ্চিত করতে পারে না।

শেষ পর্যন্ত গুগ্‌লের এই অফিস-ট্যুর তাই শুধু বিলাসবহুল কর্মক্ষেত্রের ছবি দেখায়নি; বরং ‘ভালো অফিস’ বলতে শুধু সুযোগ-সুবিধা, নাকি কর্মী কতটা স্বস্তিতে কাজ করছেন— সেই পুরনো প্রশ্নটিও নতুন করে সামনে এনেছে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *