ওয়াংচুককে হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিল দিল্লি হাই কোর্ট, বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের আবেদন খারিজ

ওয়াংচুককে হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিল দিল্লি হাই কোর্ট! সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে যন্তর মন্তরের অনশনমঞ্চ থেকে সরিয়ে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করানোর সরকারি সিদ্ধান্তে আপাতত সিলমোহর দিল দিল্লি হাই কোর্ট। একই…

July 19, 2026
1 min read

ওয়াংচুককে হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিল দিল্লি হাই কোর্ট!

সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে যন্তর মন্তরের অনশনমঞ্চ থেকে সরিয়ে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করানোর সরকারি সিদ্ধান্তে আপাতত সিলমোহর দিল দিল্লি হাই কোর্ট। একই সঙ্গে, তাঁকে অবিলম্বে একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের আবেদনও খারিজ করে দিয়েছে আদালত।

রবিবার ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে আংমো আদালতের দ্বারস্থ হয়ে দাবি করেছিলেন, তাঁর স্বামীকে জোর করে হাসপাতালে আটকে রাখা হয়েছে এবং পরিবারের পছন্দের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুমতি দেওয়া হোক। তবে বিচারপতি মিনী পুষ্কর্নার বেঞ্চ সেই আবেদন গ্রহণ করেনি।

যদিও আদালত পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকার, দিল্লি পুলিশ এবং সফদরজং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নোটিস জারি করেছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলিকে বিস্তারিত স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী বৃহস্পতিবার। তত দিন পর্যন্ত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ জারি করবে না আদালত।

শুনানিতে গীতাঞ্জলির আইনজীবীরা অভিযোগ করেন, ওয়াংচুককে কার্যত তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে হাসপাতালে আটকে রাখা হয়েছে। কিন্তু এই অভিযোগে সায় দেয়নি আদালত। বিচারপতি স্পষ্ট জানান, একজন স্বাধীন নাগরিক হিসেবে ওয়াংচুককে বন্দি করে রাখা হয়নি। চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা তাঁর সম্মতি নিয়েই চলছে।

আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ওয়াংচুকের স্ত্রী এবং পরিবারের সদস্যদের হাসপাতালে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ফলে তাঁকে অবৈধভাবে আটক করে রাখা হয়েছে— এমন অভিযোগের পক্ষে আপাতত কোনও ভিত্তি আদালত দেখতে পায়নি।

এই পরিস্থিতিতে তাঁকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেছে হাই কোর্ট।

প্রসঙ্গত, শিক্ষা সংক্রান্ত আন্দোলনের অংশ হিসেবে টানা অনশনে ছিলেন সোনম ওয়াংচুক। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শনিবার দিল্লি পুলিশ তাঁকে যন্তর মন্তর থেকে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করায়। পরিবারের দাবি, হাসপাতালে থাকলেও তিনি এখনও অনশন ভাঙেননি এবং নুনজল ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণ করছেন না।

এখন নজর আগামী বৃহস্পতিবারের শুনানির দিকে। সরকারের জমা দেওয়া রিপোর্ট এবং হাসপাতালের চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা করার পরই ওয়াংচুকের চিকিৎসা ও পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আদালত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *