১৬৩ ধারা জারির পর পিছিয়ে সিদ্দিকুল্লা!
দমদম বিমানবন্দরের সীমানার মধ্যে থাকা একটি মসজিদ স্থানান্তর এবং সেখানে নামাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কে আপাতত পিছিয়ে এলেন জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দের রাজ্য সভাপতি তথা প্রাক্তন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। শুক্রবার তাঁর ঘোষিত ‘এক কোটি মানুষের জমায়েত’ শেষ পর্যন্ত আর অনুষ্ঠিত হয়নি। কর্মসূচির আগেই বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট বাঁকড়া এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করে চার বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করে।
শুক্রবার সকাল থেকেই এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের টহল শুরু হয়। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বেলা নাগাদ বাঁকড়ায় পৌঁছন সিদ্দিকুল্লা। স্থানীয় কয়েক জনের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে যান। তাঁর প্রশ্ন ছিল, ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী জমায়েতের অনুমতি দেওয়া হবে কি না। পুলিশ জানিয়ে দেয়, এই কর্মসূচির জন্য কোনও আনুষ্ঠানিক অনুমতি নেওয়া হয়নি। এরপরই সিদ্দিকুল্লা ঘোষণা করেন, আপাতত কর্মসূচি বাতিল করা হচ্ছে এবং অন্যত্র নামাজ আদায় করা হবে।
বিমানবন্দর চত্বরে অবস্থিত ওই মসজিদে নামাজ পাঠ বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি হওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। এর প্রতিবাদে বৃহৎ জমায়েতের ডাক দিয়েছিলেন সিদ্দিকুল্লা। তবে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার মুখে সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন তিনি।
এর আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, সরকার কোনও ধর্মীয় আচারে বাধা দিতে চায় না। তবে জাতীয় নিরাপত্তা এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্য ছিল, নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং তা কোনও ধর্মীয় সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে নয়।
শুক্রবার কর্মসূচি স্থগিত হলেও বাঁকড়া এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার রাখা হয়। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দুই কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। পাশাপাশি বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের প্রায় ২৫০ জন পুলিশকর্মী এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন। প্রশাসন গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?