বিশ্বকাপ ফাইনালের মাঠই এবার স্মারক!!
বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতি এবার শুধু ছবি বা জার্সিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে ফিফা। ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামের মাঠের আসল ঘাসের টুকরো সংগ্রহযোগ্য স্মারক হিসেবে বিক্রি করা হবে।
এই বিশেষ স্মারকের দাম রাখা হয়েছে ৪৫০ মার্কিন ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪৩ হাজার টাকার কাছাকাছি। ফিফার দাবি, প্রতিটি স্মারকে থাকবে ফাইনালে ব্যবহৃত মাঠের আসল একটি অংশ, যা উচ্চমানের অ্যাক্রিলিকের মধ্যে সংরক্ষিত থাকবে। সঙ্গে দেওয়া হবে একটি প্রমাণপত্র ও স্মারক প্যাকেজ, যাতে সংগ্রাহকের কাছে এটি আরও মূল্যবান হয়ে ওঠে।
তবে একটি বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে। ফিফা জানিয়েছে, প্রতিটি ঘাসের টুকরোর মাপ হবে ১৭.৫ × ১৭.৫ × ১৭.৭, কিন্তু এই পরিমাপ ইঞ্চি, সেন্টিমিটার না মিলিমিটার— তা স্পষ্ট করেনি। বহু ফুটবলপ্রেমী এ বিষয়ে জানতে চাইলেও এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি সংস্থাটি।
ফিফার ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, এটি শুধুমাত্র একটি স্মারক নয়, বরং ফুটবল ইতিহাসের একটি বাস্তব অংশের মালিক হওয়ার সুযোগ। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার স্মৃতি ধরে রাখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি সংস্থার।
ফাইনাল শেষ হওয়ার পরই স্মারক তৈরির কাজ শুরু হবে এবং তারপর ক্রেতাদের কাছে পাঠানো হবে। তবে এখানেই রয়েছে একটি বড় সীমাবদ্ধতা। আপাতত শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাসিন্দারাই এই স্মারক কিনতে পারবেন। বিশ্বের অন্য কোনও দেশে ফিফা এটি সরবরাহ করবে না।
এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই নতুন বিতর্কের জন্ম হয়েছে। বহু ফুটবলপ্রেমীর প্রশ্ন, বিশ্বকাপ যখন বিশ্বের প্রতিযোগিতা, তখন স্মারক বিক্রির সুযোগ কেন শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কয়েকটি অঞ্চলের মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হচ্ছে? ফিফা এখনও এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনও ব্যাখ্যা দেয়নি।
বিশ্বকাপের ফাইনাল মাঠের এক টুকরো ঘাস নিজের সংগ্রহে রাখার সুযোগ নিঃসন্দেহে অনেক সমর্থকের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয়। তবে সীমিত বিক্রি ও বিতরণ নীতির কারণে এই অভিনব উদ্যোগ ইতিমধ্যেই আলোচনা ও সমালোচনা— দুই-ই কুড়িয়েছে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?