এমবাপের পাশে দাঁড়িয়ে ‘ভার’-এর সমালোচনায় হালান্ড!
বিশ্বকাপ যত শেষ পর্বের দিকে এগোচ্ছে, ততই বাড়ছে ‘ভিডিয়ো অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি’ (VAR) নিয়ে বিতর্ক। গোল, অফসাইড, ফাউল কিংবা পেনাল্টি— একের পর এক সিদ্ধান্তকে ঘিরে প্রশ্ন উঠছে। বিভিন্ন ঘটনায় ফিফা ব্যাখ্যা দিলেও সমালোচনা থামছে না। এবার সেই বিতর্কে যোগ দিলেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড।
মরক্কোর বিরুদ্ধে ফ্রান্সের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে কিলিয়ান এমবাপের পেনাল্টি মিসকে কেন্দ্র করেই নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন হালান্ড। তাঁর মতে, পেনাল্টি নেওয়ার আগে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করানো কোনও ফুটবলারের মনোসংযোগে প্রভাব ফেলতেই পারে।
এমবাপের পেনাল্টি ঘিরে প্রশ্ন
ম্যাচের ২৫ মিনিটে ফ্রান্স পেনাল্টি পায়। তবে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে ‘ভার’ রেফারিদের রিপ্লে পর্যালোচনায় লেগে যায় প্রায় তিন মিনিটেরও বেশি সময়। সেই দীর্ঘ অপেক্ষার পর পেনাল্টি নিতে এসে লক্ষ্যভ্রষ্ট হন এমবাপে।
হালান্ড সমাজমাধ্যমে সেই ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে লেখেন, “একটা পেনাল্টির জন্য পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করাটা সত্যিই অনেক বেশি।” তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, এত দীর্ঘ বিরতি খেলোয়াড়ের মানসিক প্রস্তুতি ও স্বাভাবিক ছন্দে প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশ্বকাপে ‘ভার’ বিতর্ক আরও তীব্র
এই বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই ‘ভার’-এর একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কোথাও অফসাইড, কোথাও ফাউল, আবার কোথাও পেনাল্টি— বিভিন্ন ম্যাচে প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ফুটবলার, কোচ ও সমর্থকদের একাংশ।
অনেকের অভিযোগ, প্রযুক্তির সাহায্যে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার উদ্দেশ্য থাকলেও অতিরিক্ত সময় নেওয়ায় খেলার স্বাভাবিক গতি নষ্ট হচ্ছে। বিশেষ করে পেনাল্টির মতো গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দীর্ঘ অপেক্ষা খেলোয়াড়দের উপর মানসিক চাপ আরও বাড়িয়ে দেয়।
হালান্ডের নজরে বিশ্বকাপ
নরওয়েও এখনও বিশ্বকাপের লড়াইয়ে রয়েছে। সেমিফাইনালে ওঠার জন্য হালান্ডদের সামনে ইংল্যান্ডের কঠিন চ্যালেঞ্জ। সেই বাধা পেরোতে পারলে শেষ চারে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে ফাইনালে উঠতে পারলে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে খেলাও হতে পারে।
সম্ভাব্য প্রতিপক্ষদের খেলা তাই নিয়মিত দেখছেন হালান্ড। এমবাপের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁর মন্তব্য শুধু এক ফুটবলারের প্রতি সমর্থনই নয়, বরং ‘ভার’-এর ব্যবহার নিয়ে চলতে থাকা বৃহত্তর বিতর্ককেও আরও উসকে দিল।
বিশ্বকাপের শেষ পর্যায়ে এখন প্রশ্ন একটাই— প্রযুক্তি কি সত্যিই খেলার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করছে, নাকি অতিরিক্ত হস্তক্ষেপের কারণে নতুন বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে?
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?