তেলঙ্গানার ডিএসপির ৩০০ কোটির বেশি সম্পত্তির হদিস, তল্লাশিতে মিলল বাংলো, রিসর্ট, সোনা-নগদ

তেলঙ্গানার ডিএসপির ৩০০ কোটির বেশি সম্পত্তির হদিস! তেলঙ্গানার এক পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে আয়বহির্ভূত সম্পত্তি রাখার অভিযোগে বড়সড় অভিযান চালিয়ে বিপুল সম্পদের খোঁজ পেল রাজ্যের দুর্নীতিদমন শাখা (এসিবি)। তদন্তে উঠে এসেছে,…

July 7, 2026
0 min read

তেলঙ্গানার ডিএসপির ৩০০ কোটির বেশি সম্পত্তির হদিস!

তেলঙ্গানার এক পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে আয়বহির্ভূত সম্পত্তি রাখার অভিযোগে বড়সড় অভিযান চালিয়ে বিপুল সম্পদের খোঁজ পেল রাজ্যের দুর্নীতিদমন শাখা (এসিবি)। তদন্তে উঠে এসেছে, ডেপুটি পুলিশ সুপার (ডিএসপি) সঙ্কিরেড্ডি ভীম রেড্ডির নামে ও বেনামে কয়েকশো কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। প্রাথমিক হিসাবে যার মূল্য প্রায় ৩০০ কোটি টাকা, তবে তদন্তকারীদের অনুমান, সম্পদের মোট মূল্য ৫০০ কোটি টাকাও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এসিবি সূত্রে জানা গিয়েছে, আয়বহির্ভূত সম্পত্তির অভিযোগের ভিত্তিতে গত ২ জুলাই থেকে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। চার দিন ধরে তেলঙ্গানা ও কর্নাটকে মোট ১৫টি ঠিকানায় অভিযান চালানো হয়। শুধু ভীম রেড্ডির বাসভবনই নয়, তাঁর আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠদের কয়েকটি জায়গাতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। অভিযান শেষে তাঁকে হায়দরাবাদের ইব্রাহিমবাগের বাড়ি থেকে হেফাজতে নেওয়া হয়।

তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা নগদ, অন্য একটি ঠিকানা থেকে মিলেছে ৪০ লক্ষ টাকা, প্রায় ২ কেজি সোনার গয়না, ২০ কেজি রুপোর সামগ্রী এবং একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২০ লক্ষ টাকার জমার তথ্য।

তদন্তে যে সম্পত্তির হদিস মিলেছে, তার মধ্যে রয়েছে হায়দরাবাদের ইব্রাহিমবাগে একটি বিলাসবহুল বাংলো, টেলিকমনগরে তিনতলা বাড়ি, একটি পেন্টহাউস ও একটি ফ্ল্যাট। গাছিবোওলিতে আরও একটি ফ্ল্যাট, মণিকোন্ডায় দুটি বাণিজ্যিক ভবন, তেল্লাপুরে দুটি ফ্ল্যাট এবং একটি রিসর্টের তথ্যও পেয়েছে এসিবি। এছাড়া সঙ্গারেড্ডি জেলায় প্রায় সাড়ে তিন একর কৃষিজমির খোঁজ মিলেছে।

শুধু তেলঙ্গানাই নয়, কর্নাটকেও ভীম রেড্ডির বিপুল সম্পত্তির সন্ধান পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সেখানে ৬০০ একর ও ৩৮ একরের দুটি কৃষিজমি, বেঙ্গালুরুতে প্রায় এক একর জমি, পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় একাধিক প্লট ও কৃষিজমির তথ্য সামনে এসেছে। তদন্তকারীদের দাবি, আরও কয়েকটি সম্পত্তি অন্যের নামে কেনা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

এসিবি এখন সম্পত্তিগুলির প্রকৃত মালিকানা, অর্থের উৎস এবং আয়কর ও অন্যান্য নথির সঙ্গে সেগুলির মিল খতিয়ে দেখছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে সম্পদের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করছেন তদন্তকারীরা।

এই ঘটনায় সরকারি পদে থেকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ কতটা সত্য, তা আদালত ও তদন্ত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে। আপাতত এসিবি আর্থিক লেনদেন, সম্পত্তির নথি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *