বাংলার বোলিংয়ের ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্বে দিন্দা-উৎপল!
বাংলার ক্রিকেটকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে নতুন পরিকল্পনা নিয়েছে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি)। সেই লক্ষ্যে ‘ভিশন ২০২৮’ প্রকল্পে বড় দায়িত্ব দেওয়া হল ভারতের প্রাক্তন দুই ক্রিকেটার অশোক দিন্দা এবং উৎপল চট্টোপাধ্যায়কে। বাংলার ভবিষ্যতের বোলিং প্রতিভাদের গড়ে তোলার দায়িত্ব এবার তাঁদের কাঁধে।
সিএবির এই বিশেষ প্রকল্পে অশোক দিন্দাকে দেওয়া হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তিনি ‘ভিশন ২০২৮’-এর প্রধান হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি বাংলার তরুণ জোরে বোলারদের প্রশিক্ষণের দায়িত্বও সামলাবেন। অন্য দিকে, প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার উৎপল চট্টোপাধ্যায়কে নিযুক্ত করা হয়েছে স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে।
আগামী জুলাই থেকেই নতুন প্রশিক্ষণ শিবির শুরু হওয়ার কথা। এই শিবিরগুলির মাধ্যমে বাংলার ক্রিকেট প্রতিভাদের খুঁজে বের করা এবং তাঁদের দক্ষতা আরও উন্নত করাই সিএবির মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে বোলিং বিভাগে আগামী দিনের জন্য শক্তিশালী দল তৈরি করতে চাইছে সংস্থা।
ভারতীয় দলের হয়ে খেলা দিন্দা ও উৎপলের দীর্ঘ অভিজ্ঞতাকেই কাজে লাগাতে চাইছে সিএবি। ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে আন্তর্জাতিক মঞ্চ পর্যন্ত তাঁদের অভিজ্ঞতা বাংলার তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য বড় সম্পদ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন কর্তারা।
শুধু সিনিয়র ক্রিকেটারদের নয়, বয়সভিত্তিক দলগুলিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এই প্রকল্পে। অনূর্ধ্ব-১৬, অনূর্ধ্ব-১৯, অনূর্ধ্ব-২৩ এবং সিনিয়র দলের কোচ ও সহকারী কোচদেরও ‘ভিশন ২০২৮’-এর সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে সিএবি।
সিএবির লক্ষ্য, শুধু প্রতিভা খুঁজে বের করাই নয়, তাঁদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে জাতীয় স্তরের ক্রিকেটের জন্য তৈরি করা। ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিটনেস—সব ক্ষেত্রেই তরুণ ক্রিকেটারদের উন্নতির দিকে নজর দেওয়া হবে।
বাংলার ক্রিকেটে এক সময় একাধিক প্রতিভাবান বোলার উঠে এসেছেন। সেই ধারাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে দিন্দা ও উৎপলের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিএবি। আগামী দিনে এই উদ্যোগ থেকেই বাংলার নতুন তারকা বোলার উঠে আসতে পারেন বলে আশা করছেন ক্রিকেট কর্তারা।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?