রজতের ব্যাটে ফাইনালে বেঙ্গালুরু, তবু কৃতিত্ব নিতে নারাজ আরসিবি অধিনায়ক

রজতের ব্যাটে ফাইনালে বেঙ্গালুরু! আইপিএলের প্রথম কোয়ালিফায়ারের মতো চাপের ম্যাচে ৩৩ বলে ৯৩ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলেও নিজেকে নায়ক মানতে রাজি নন রজত পাটীদার। গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে তাঁর ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে…

May 28, 2026
1 min read

রজতের ব্যাটে ফাইনালে বেঙ্গালুরু!

আইপিএলের প্রথম কোয়ালিফায়ারের মতো চাপের ম্যাচে ৩৩ বলে ৯৩ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলেও নিজেকে নায়ক মানতে রাজি নন রজত পাটীদার। গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে তাঁর ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ফাইনালে উঠেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। কিন্তু ম্যাচের পরে দলের সাফল্যকেই বেশি গুরুত্ব দিলেন আরসিবি অধিনায়ক।

মঙ্গলবারের ম্যাচে শুরুতে কিছুটা ধীরগতিতে খেললেও পরে সম্পূর্ণ ছন্দে দেখা যায় পাটীদারকে। একটিও ডট বল না খেলে ৯টি ছক্কায় সাজানো তাঁর ইনিংস গুজরাতের বোলারদের কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয়। তবে ম্যাচ শেষে পাটীদার জানালেন, এত বড় ইনিংস খেলার কোনও নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েই তিনি মাঠে নামেননি।

পাটীদার বলেন,
“দারুণ একটা ম্যাচ খেলেছি আমরা। শুধু আমি নই, সব ব্যাটারই সাহসী ক্রিকেট খেলেছে। আলাদা করে বড় ইনিংস খেলার পরিকল্পনা ছিল না। তবে শুরু থেকেই ওদের বুঝিয়ে দিতে চেয়েছিলাম যে আমরা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে প্রস্তুত।”

আরসিবি অধিনায়কের মতে, দলের ব্যাটারদের আগ্রাসী মানসিকতাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। তিনি জানান, নকআউট ম্যাচে চাপ সামলাতে হলে প্রতিপক্ষকে শুরু থেকেই চাপে রাখতে হয়। সেই পরিকল্পনাই সফল হয়েছে।

নিজের ব্যাটিং পদ্ধতি নিয়েও মুখ খুলেছেন পাটীদার। তিনি বলেন,
“আমি সাধারণত প্রথম ৮-১০ বল সময় নিই উইকেট বুঝতে। তারপর মানসিকভাবে অনেক পরিষ্কার হয়ে যাই। তখন বোলারদের উপরে চাপ তৈরি করার চেষ্টা করি। নিজের উইকেট নিয়ে বেশি ভাবি না।”

ম্যাচের পিচ নিয়েও সতর্ক ছিলেন তিনি। পাটীদারের মতে, উইকেটে বাউন্সের তারতম্য ছিল এবং বড় শট খেলা খুব সহজ ছিল না। তবুও পরিস্থিতি বুঝে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং চালিয়ে গিয়েছেন তিনি।

গুজরাতের শক্তি যে তাদের টপ অর্ডার, তা আগেই বুঝেছিল বেঙ্গালুরু শিবির। সেই কারণেই প্রথম দিকেই গুজরাতের প্রধান ব্যাটারদের দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। পাটীদার বলেন,
“গুজরাত যেভাবে পুরো মরসুম খেলেছে, তাতে আমরা জানতাম ওদের প্রথম তিন ব্যাটারকে দ্রুত আউট করতে পারলে ম্যাচ অনেকটাই আমাদের দিকে চলে আসবে। সেটাই হয়েছে।”

পাটীদারের এই ইনিংস শুধু ফাইনালের দরজা খুলে দেয়নি, আবারও প্রমাণ করেছে যে বড় মঞ্চে চাপ সামলে ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা তাঁর রয়েছে। এর আগেও আইপিএলের নকআউটে শতরান করেছেন তিনি। এ বার শতরান না পেলেও তাঁর ব্যাটেই স্বপ্নের ফাইনালে পৌঁছে গেল বেঙ্গালুরু।

স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *