আমেরিকায় বিশ্বকাপে ইরানের সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন!
আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলেও, তাদের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে। কারণ, প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে আমেরিকায়—যেখানে রাজনৈতিকভাবে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই তলানিতে।
🌍 জটিল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
ফেব্রুয়ারি মাসে আমেরিকা ও ইজ়রায়েল যৌথ সামরিক অভিযানের পর থেকেই ইরান–আমেরিকা সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতেই ইরানকে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব খেলতে যেতে হচ্ছে আমেরিকায়।
🏟️ আমেরিকায় অনুশীলন ও সুবিধা নিয়ে আশা
ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি মেহদি মহম্মদ নবি জানিয়েছেন, ফিফার নিয়ম অনুযায়ী সব দলকেই সমান সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে আয়োজক দেশকে। তাঁর আশা, আমেরিকায় ইরান দলও প্রয়োজনীয় অনুশীলন সুবিধা পাবে।
তিনি বলেন, ফিফার নিরাপত্তা কমিটি এবং আয়োজক দেশের যৌথ ব্যবস্থাপনায় সব কিছু সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হবে।
🛂 ভিসা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
ইরানের ফুটবল দল ও সাপোর্ট স্টাফদের ভিসা পাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। সেই কারণে তারা কানাডার ভিসার জন্যও আবেদন করেছে বলে জানা গিয়েছে।
তবে নবি দাবি করেছেন, ফিফার নিয়ম অনুযায়ী যোগ্যতা অর্জনকারী প্রতিটি দলকে ভিসা দিতে আয়োজক দেশ বাধ্য।
🧭 ফিফার নিয়মেই ভরসা
নবির বক্তব্য অনুযায়ী, ফিফা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কমিটির মাধ্যমে আয়োজক দেশের সঙ্গে সমন্বয় করে। ফলে রাজনৈতিক জটিলতা থাকলেও খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ব্যবস্থা থাকে।
তিনি বলেন, আগেও বহু বিশ্বকাপে খেলেছে ইরান, তাই এই ধরনের পরিস্থিতি সামলানোর অভিজ্ঞতা তাদের আছে।
🏆 ইরানের গ্রুপ ও প্রস্তুতি
ইরান রয়েছে গ্রুপ ‘জি’-তে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ নিউ জ়িল্যান্ড, বেলজিয়াম ও মিশর। প্রতিটি ম্যাচই আমেরিকায় অনুষ্ঠিত হবে।
বিশ্বকাপের আগে তারা প্রাক-প্রতিযোগিতা শিবির করছে তুরস্কে, পরে আমেরিকার অ্যারিজোনার টাকসনে মূল প্রস্তুতি শিবির করবে দলটি।
📌 সারসংক্ষেপ
রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও ফিফার নিয়ম ও আয়োজক ব্যবস্থার উপর ভরসা রেখে বিশ্বকাপে অংশ নিতে চলেছে ইরান। এখন দেখার, মাঠের বাইরের জটিলতা কতটা প্রভাব ফেলে তাদের পারফরম্যান্সে।
স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা