‘চরৈবেতি’ মন্ত্রে এগোনোর ঘোষণা শুভেন্দুর, রাজ্য-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ

‘চরৈবেতি’ মন্ত্রে এগোনোর ঘোষণা শুভেন্দুর! পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু হওয়ার ইঙ্গিত দিলেন নবনির্বাচিত নেতৃত্ব Suvendu Adhikari। পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি জানালেন, তাঁর লক্ষ্য হবে কেন্দ্র ও…

May 8, 2026
1 min read

‘চরৈবেতি’ মন্ত্রে এগোনোর ঘোষণা শুভেন্দুর!

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু হওয়ার ইঙ্গিত দিলেন নবনির্বাচিত নেতৃত্ব Suvendu Adhikari। পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি জানালেন, তাঁর লক্ষ্য হবে কেন্দ্র ও রাজ্যকে একসঙ্গে রেখে উন্নয়নের গতি বাড়ানো। তাঁর ঘোষণার কেন্দ্রে রয়েছে একটাই মন্ত্র—“চরৈবেতি”, অর্থাৎ এগিয়ে চলা।

নিউ টাউনের একটি বৈঠকে দলের ২০৭ জন বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। সেখানেই সর্বসম্মতভাবে শুভেন্দুকে পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে বেছে নেয় দলীয় নেতৃত্ব। দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরেন।

শুভেন্দুর বক্তব্যে বারবার উঠে আসে ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের ধারণা। তাঁর দাবি, কেন্দ্র ও রাজ্য যদি একসঙ্গে কাজ করে, তবে উন্নয়ন দ্রুত হবে। এই প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষিত বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি এবার বাস্তবায়নের দিকে এগোবে। তাঁর ভাষায়, “কথা কম, কাজ বেশি”—এই নীতিতেই নতুন সরকার চলবে।

তিনি আরও জানান, আগামী দিনে রাজ্যের উন্নয়ন পরিকল্পনা শুধুমাত্র প্রশাসনিক নয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের দিকেও নজর দেবে। তাঁর কথায়, লক্ষ্য থাকবে রাজ্যের মানুষের আস্থা অর্জন করা এবং আগামী নির্বাচনে সমর্থনের হার আরও বাড়ানো।

এই প্রসঙ্গে তিনি একটি পরিসংখ্যানও তুলে ধরেন—বর্তমান নির্বাচনে প্রায় ৪৬ শতাংশ ভোট তাঁদের দিকে এসেছে, ভবিষ্যতে সেটিকে ৬০ শতাংশের বেশি করার লক্ষ্য রয়েছে। যদিও এটি রাজনৈতিক প্রত্যাশা, বাস্তব পরিস্থিতিতে তা কতটা সম্ভব হবে, তা সময়ই বলবে।

নতুন সরকারের রূপরেখা প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, রাজ্যের উন্নয়ন হবে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির সঙ্গে সমন্বয় রেখে। তাঁর দাবি, একাধিক ক্ষেত্রে নতুন কমিশন বা তদন্ত কাঠামো গঠন করা হতে পারে, যাতে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়।

বক্তৃতার শেষভাগে তিনি সাংস্কৃতিক প্রসঙ্গ টেনে আনেন। স্বামী বিবেকানন্দের “চরৈবেতি” মন্ত্রকে সামনে রেখে তিনি বলেন, থেমে থাকা নয়, বরং এগিয়ে চলাই হবে মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাবনার প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন, যেখানে ভয়হীন সমাজ গঠনের কথা বলা হয়েছে।

সব মিলিয়ে, শুভেন্দুর বক্তব্যে উন্নয়ন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং রাজনৈতিক লক্ষ্য—তিনটিই স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। এখন দেখার, ঘোষিত এই রূপরেখা বাস্তবে কতটা কার্যকর হয় এবং রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে এগোয়।

স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *