সুযোগ পেলেন অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী অম্বরীশ!
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ-এর মাঝপথে আবারও বদল এল এক দলে। চোটের কারণে ছিটকে গেলেন পেসার শিবম মাভি, আর তাঁর জায়গায় সুযোগ পেলেন তরুণ প্রতিভা আরএস অম্বরীশ—যিনি ভারতের হয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ের অংশ ছিলেন।
কুঁচকির চোটে আক্রান্ত হওয়ায় এই মরসুমে আর খেলতে পারবেন না মাভি। তাঁকে নিলামে ৭৫ লক্ষ টাকায় দলে নিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। একই মূল্যে দলে যুক্ত করা হয়েছে অম্বরীশকে, যা দেখায় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি তরুণ শক্তির উপরই ভরসা রাখছে।
অম্বরীশ ডানহাতি জোরে বোলার, পাশাপাশি বাঁ হাতে ব্যাটও করতে পারেন—অর্থাৎ একেবারে আধুনিক অলরাউন্ড পেসার প্রোফাইল। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে তিনি ছিলেন যৌথ সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি, নিয়েছিলেন ১১টি উইকেট। তামিলনাড়ুর এই তরুণ ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছেন ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে।
হায়দরাবাদ দলে তরুণদের ভিড় নতুন নয়। অম্বরীশ যোগ দেওয়ায় সেই তালিকা আরও লম্বা হল। ইতিমধ্যেই দলে রয়েছেন প্রফুল্প হিঙ্গে ও শাকিব হুসেনের মতো উদীয়মান ক্রিকেটাররা। ফলে ভবিষ্যতের দল গড়ার দিকেও নজর দিচ্ছে ফ্র্যাঞ্চাইজি—এটা স্পষ্ট।
অন্য দিকে, মাভির ক্যারিয়ারে চোট যেন বারবার বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ থেকেই উঠে আসা এই পেসার ভারতের হয়ে ৬টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এবং ৭টি উইকেট নিয়েছেন। আইপিএলে ৩২ ম্যাচে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ৩০টি উইকেট। প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেননি মূলত চোট-সমস্যার কারণেই।
বর্তমানে পয়েন্ট তালিকায় বেশ ভাল জায়গায় রয়েছে হায়দরাবাদ। টানা পাঁচ ম্যাচ জিতে আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে। সামনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ, যেখানে নতুন মুখ অম্বরীশ সুযোগ পেলে নজর কাড়তে পারেন।
সব মিলিয়ে, এই পরিবর্তনটা শুধু বাধ্যতামূলক নয়—বরং ভবিষ্যতের বিনিয়োগও বলা যায়। এখন দেখার, সুযোগ পেলে অম্বরীশ কতটা কাজে লাগাতে পারেন এই মঞ্চ।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?