অনন্যা পাণ্ডের ৩ সহজ উপায়!
প্রেম ভাঙা মানেই যেন ভেতরটা খানখান হয়ে যাওয়া। কেউ একা থাকতে চান, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান—প্রত্যেকেরই সামলানোর নিজস্ব পথ আছে। তবে নিজের ক্ষতি না করে কীভাবে এই কঠিন সময়টা পার করা যায়, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে বলিউড অভিনেত্রী অনন্যা পাণ্ডে-র সহজ টোটকাগুলো বেশ কাজে লাগতে পারে।
অনন্যা এক সাক্ষাৎকারে মজা করেই বলেছিলেন—“আমি কাঁদি, আইসক্রিম খাই, অরিজিৎ সিং-এর দুঃখের গান শুনি, তারপর একটু পরেই সবটা ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করি।” শুনতে সিনেমার মতো লাগলেও, মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এই অভ্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে বাস্তব যুক্তি।
১. পছন্দের খাবারে সাময়িক স্বস্তি
ব্রেকআপের পর মস্তিষ্কে ‘হ্যাপি হরমোন’ ডোপামিনের মাত্রা কমে যায়, আর স্ট্রেস হরমোন বাড়ে। এই সময় আইসক্রিম বা প্রিয় খাবার খেলে সাময়িকভাবে মন ভালো লাগতে পারে। ঠান্ডা ও মিষ্টি খাবার স্নায়ুকে কিছুটা শান্ত করে।
তবে একটা কথা মাথায় রাখুন—এটা শুধু অস্থায়ী সমাধান। দীর্ঘদিন শুধু ‘কমফোর্ট ফুড’-এর উপর নির্ভর করলে শরীর ও মন—দুটোরই ক্ষতি হতে পারে।
২. দুঃখের গান—মন খুলে অনুভব করার মাধ্যম
মন খারাপের সময় অনেকেই দুঃখের গান শুনতে ভালোবাসেন। কারণ এই গানগুলো আমাদের অনুভূতির সঙ্গে মিলে যায়। যখন নিজের কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন হয়, তখন গান যেন সেই কাজটা করে দেয়।
এতে একাকিত্ব কমে, মনে হয়—“আমি একা নই।”
তবে সারাক্ষণ এমন গান শুনলে উল্টো মন আরও ভারী হয়ে যেতে পারে। তাই ভারসাম্য রাখা জরুরি।
৩. কাঁদতে দিন নিজেকে
অনেকে কান্না চেপে রাখেন, কিন্তু মনোবিদদের মতে, কাঁদা আসলে স্বাভাবিক ও প্রয়োজনীয় প্রতিক্রিয়া। এতে জমে থাকা আবেগ বেরিয়ে আসে এবং মানসিক চাপ কিছুটা কমে।
নিজেকে শক্ত দেখানোর জন্য আবেগ চাপা দিলে তা দীর্ঘমেয়াদে আরও কষ্ট বাড়াতে পারে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?