Jemimah Rodrigues-এর বার্তা!
ভারতের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য জেমাইমা রদ্রিগেজ় জানিয়েছেন, ক্রিকেটজীবনের শুরুতে ঋতুস্রাব নিয়ে তাঁকে এক ধরনের নীরবতা বজায় রাখতে হত। শারীরিক ও মানসিক অসুবিধা থাকা সত্ত্বেও তিনি মুখ বুজে সব সহ্য করতেন। সেই সময় এমন পরিবেশ ছিল, যেখানে নিজের শারীরিক সমস্যার কথা খোলাখুলি বলা কঠিন হয়ে উঠত।
⚠️ ভ্রান্ত ধারণার বিরুদ্ধে সরব
জেমাইমার মতে, এখনও সমাজে ঋতুস্রাব নিয়ে অনেক ভুল ধারণা রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, এই সময় মেয়েরা দুর্বল হয়ে পড়ে বা খেলাধুলায় পারফরম্যান্স খারাপ হয়। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। ঋতুস্রাব একটি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া এবং এর প্রভাব ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে। তাই সকলের উপর একই ধরনের প্রত্যাশা চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।
🤝 দলীয় পরিবেশে খোলামেলা আলোচনা জরুরি
তিনি জোর দিয়ে বলেন, দলের সতীর্থ, কোচ এবং সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে ঋতুস্রাব নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করা হলে খেলোয়াড়দের জন্য অনুশীলন চালিয়ে যাওয়া বা প্রয়োজন হলে বিশ্রাম নেওয়া অনেক সহজ হয়। এতে আত্মবিশ্বাসও বাড়ে এবং অযথা ভয় বা সংকোচ দূর হয়।
🧠 নিজের শরীরকে বোঝার গুরুত্ব
জেমাইমা স্বীকার করেছেন, এমন অনেক দিন গেছে যখন ঋতুস্রাব চলাকালীন অনুশীলন বা ম্যাচ খেলা তাঁর জন্য শারীরিক ও মানসিক ভাবে কঠিন ছিল। আগে তিনি এসব কাউকে না জানিয়ে খেলতেন। তবে এখন তিনি বুঝেছেন, নিজের শরীরের কথা শোনা এবং প্রয়োজনীয় যত্ন নেওয়া কতটা গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক ‘পিরিয়ড কেয়ার’ ব্যবহার এবং সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে আলোচনা তাঁকে অনেক সাহায্য করেছে।
🌱 পরিবর্তনের বার্তা
জেমাইমার বক্তব্য, এই বিষয় নিয়ে যত বেশি খোলামেলা আলোচনা হবে, তত দ্রুত সমাজের জড়তা ভাঙবে। এতে মেয়েরা আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেলাধুলায় এগিয়ে আসতে পারবে। তাঁর এই বার্তা শুধু ক্রিকেট নয়, সমস্ত খেলাধুলার জগতেই নারী স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?