ট্রোলের জবাবে মৌনী রায়: ‘‘ভালবাসা শিখুন, নয়তো জীবন ব্যর্থ’’

ট্রোলের জবাবে মৌনী রায়! বলিউডে নায়িকাদের সৌন্দর্য নিয়ে নানা রকম চর্চা নতুন কিছু নয়। কিন্তু কখনও কখনও এই চর্চা সীমা ছাড়িয়ে গিয়ে পৌঁছে যায় কটাক্ষে। সম্প্রতি সেই তিরে বিদ্ধ হয়েছেন…

August 23, 2025
1 min read

ট্রোলের জবাবে মৌনী রায়!

বলিউডে নায়িকাদের সৌন্দর্য নিয়ে নানা রকম চর্চা নতুন কিছু নয়। কিন্তু কখনও কখনও এই চর্চা সীমা ছাড়িয়ে গিয়ে পৌঁছে যায় কটাক্ষে। সম্প্রতি সেই তিরে বিদ্ধ হয়েছেন অভিনেত্রী মৌনী রায়। নেটিজেনদের অভিযোগ, তাঁর শরীর নাকি এখন ‘‘প্লাস্টিকের তৈরি’’! নানা ধরণের অস্ত্রোপচার তাঁকে নাকি আগের মতো স্বাভাবিক রাখেনি, বরং কুৎসিত করে তুলেছে।

নেটিজেনদের কটাক্ষের শিকার

মৌনী রায়কে নিয়ে নানান মন্তব্যে ভরে উঠেছে সামাজিক মাধ্যম। কেউ লিখেছেন, ‘‘অন্তত একজন ভাল চিকিৎসকের কাছে যেতে পারতেন!’’ আবার কারও দাবি, একের পর এক সার্জারিতে তাঁর স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বিশেষত তাঁর ঠোঁট নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। কেরিয়ারের শুরুর দিকে ধারাবাহিকে অভিনয়ের সময় তাঁর ঠোঁট ছিল সরু এবং পাতলা। পরে নাকি ‘লিপ জব’-এর মাধ্যমে সেটি একেবারে মোটা এবং ফোলা হয়ে ওঠে। এরপরই শুরু হয় চর্চা ও সমালোচনার ঝড়।

পরিবর্তনের পথ

শুধু ঠোঁট নয়, ধনুকের মতো ভ্রু পাওয়ার জন্যও নাকি মৌনী ‘ব্রাও লিফট’ করিয়েছেন। পাশাপাশি বিদেশে গিয়ে স্তনযুগলের অস্ত্রোপচারও করেছেন বলে শোনা যায়। ফলে প্রথম দিকের ধারাবাহিকের মৌনীর সঙ্গে বর্তমানের মৌনীকে মিলিয়ে দেখা কঠিন। কেউ কেউ বলেন, ‘‘তাঁকে চিনতেই আলাদা লাগে।’’

বারবার প্রশ্ন, এবার কড়া জবাব

গত কয়েক বছর ধরে তাঁর রূপান্তর নিয়ে সমালোচনা নতুন কিছু নয়। কিন্তু বেশিরভাগ সময় মৌনী চুপ থেকেছেন, কিংবা বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন। আগেও তিনি জানিয়েছিলেন যে, নেতিবাচক মন্তব্যে পাত্তা দিতে চান না। তবে এবার তিনি নীরব থাকেননি।

ট্রোলারদের উদ্দেশে মৌনী সরাসরি বলেছেন,
‘‘জীবনে আপনারা একটু সময়োপযোগী কাজ করুন। সমাজমাধ্যমে নিজেদের কাজের কথা বলুন, মানুষকে ভালবাসুন। তা না হলে জীবনটাই ব্যর্থ। আচ্ছা চললাম।’’

এক শক্ত বার্তা

মৌনীর এই জবাব যেন অনেককেই ভাবিয়ে তুলেছে। সৌন্দর্যের খোঁজে তিনি হয়তো অস্ত্রোপচারের পথ বেছেছিলেন, কিন্তু তা তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। কারও শরীর বা চেহারা নিয়ে কটাক্ষ করা কতটা অমানবিক, সেটাই তিনি এদিন স্পষ্ট করে দিলেন।

শেষ কথা

তারকারা আলোচনায় থাকবেন, সমালোচনাও হবে— এটাই স্বাভাবিক। তবে কটাক্ষের সীমা ছাড়িয়ে গেলে তা ব্যক্তিগত আঘাত হয়ে দাঁড়ায়। মৌনী রায় তাঁর জবাবে শুধু নিজেকে রক্ষা করেননি, বরং সমাজকে মনে করিয়ে দিলেন— জীবনকে অর্থবহ করতে হলে ভালবাসা শেখা জরুরি, বিদ্বেষ নয়।

রিঙ্কু-প্রিয়ার প্রেমকাহিনি: ইনস্টাগ্রাম থেকে বাগ্‌দান পর্যন্ত যাত্রা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *