কিশোরী থেকে তরুণীদের ফ্যাশনে ‘সইয়ারা কুর্তি’র ঝড়!
বিনোদন জগতের কোনো ছবি মুক্তি পেলে তা শুধু সিনেমার গল্প আর অভিনয়ের জন্যই নয়, অনেক সময় ফ্যাশন জগতে নতুন ছন্দও নিয়ে আসে। যেমন এক সময় ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ থেকে ‘জব উই মেট’, ‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’ কিংবা ‘দিল চাহতা হ্যায়’–এই ছবিগুলোর জনপ্রিয় চরিত্র ও তাদের সাজ পোশাক তখনকার তরুণ সমাজের মধ্যে নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ড তৈরি করেছিল। এবার সেই ধারাবাহিকতায় ‘সইয়ারা’ সিনেমাও নতুন ঢঙের ফ্যাশন উপহার দিল।
‘সইয়ারা’ ছবির প্রধান নায়িকা অনীত পড্ডার অভিনীত বাণী চরিত্রের হাতে কাটানো কুর্তি এখন তরুণীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এই কুর্তি শুধু দেখতে সুন্দরই নয়, বরং হালকা সুতির হওয়ায় গরম, ভ্যাপসা বায়ুমণ্ডলের জন্য আদর্শ। রাঁচি শহর থেকে শুরু করে অন্যান্য জায়গাতেও এখন ‘সইয়ারা কুর্তি’ নামের এই সুতির হাতকাটা পোশাকের চাহিদা বেড়ে চলেছে। হাঁটু পর্যন্ত বা একটু উপরে পর্যন্ত লম্বা এই কুর্তিগুলো অনেকেই জিন্সের সঙ্গে মিশিয়ে পড়ছেন, যা দেখতে আধুনিক ও আরামদায়ক উভয়ই।
বিভিন্ন রঙের কুর্তি বাজারে পাওয়া যায়—সবুজ, কালো, নীল, সাদা প্রভৃতি। দামও অনেক বেশি নয়, সাধারণত ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে এই কুর্তিগুলো বিক্রি হচ্ছে। কিশোরী থেকে তরুণী, যেকোনো বয়সি নারী পছন্দ করছেন এই সহজ অথচ স্টাইলিশ পোশাক।
‘সইয়ারা’ ছবির বাইরে অনীত পড্ডার বাস্তব জীবনের ফ্যাশনও নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। কখনো তার স্যাটিনের কালো ড্রেস, আবার কখনো সাদা রঙের সহজ অথচ অভিজাত লং ড্রেস কিংবা সাদা ক্রপ টপ আর প্যান্টের কম্বিনেশন তরুণীদের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করছে। এই সব পোশাকে অতিরিক্ত অলঙ্কার বা ভারী মেকআপের বদলে হালকা, বায়ুপ্রবাহময় সাজ পছন্দ করায় তার ফ্যাশন শৈলী অনেকের কাছে ‘বাহুল্যবর্জিত’ মনে হচ্ছে।
অনীত পড্ডার এই নৈসর্গিক সাজেই এক নতুন তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে ‘জেনারেশন জেড’, অনুপ্রাণিত হচ্ছে। তারা খুঁজছে এমন পোশাক যা দেখতে সুন্দর হবে, আর পরতে আরামদায়কও হবে। এই চাহিদার মেলবন্ধন এখন ‘সইয়ারা কুর্তি’র জনপ্রিয়তার পিছনের অন্যতম কারণ।
সুতরাং বলাই যায়, ‘সইয়ারা’ সিনেমার হাতে কাটানো সুতির কুর্তি শুধু পর্দার চরিত্রের সাজ নয়, তা হয়ে উঠেছে আধুনিক মেয়েদের দৈনন্দিন ফ্যাশনের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই পোশাকের হালকা ছোঁয়া, আরামদায়ক বয়ন আর সাদাসিধে ডিজাইন এখন ফ্যাশন জগতের নতুন ট্রেন্ড হিসেবে 자리 করে ফেলেছে। নতুন প্রজন্মের মেয়েরা নিজেদের পরিচয়ের অংশ হিসেবে এই সাজকে গ্রহণ করছে, যেটা সময়ের সাথে সাথে আরও জনপ্রিয়তা পাবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
সুনামির আতঙ্কে থমকে নেই লিভারপুলের জাপান সফর, মারিয়ানোসের বিরুদ্ধে জয়ের আনন্দ