শিক্ষার্থীদের পাশে ‘ওমদয়াল ইনস্টিটিউশনস্’!
বর্তমান পৃথিবী যেন প্রতিদিন পাল্টে যাচ্ছে। প্রযুক্তি, সমাজ কিংবা পরিবেশ—সবই আজ পরিবর্তনের মুখে। এই বদলের স্রোতে টিকে থাকতে দরকার এমন শিক্ষা যা শুধুই বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং বাস্তব জীবনের সঙ্গে যুক্ত। ঠিক এই জায়গায় এসে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে ‘স্থাপত্যবিদ্যা’—একটি ক্ষেত্র, যেখানে শিল্প ও বিজ্ঞানের মেলবন্ধনে গড়ে ওঠে ভবিষ্যতের কাঠামো, শহর ও সভ্যতা।
স্থাপত্যশিল্প আজ আর শুধু বিল্ডিং তৈরির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সামাজিক দায়বদ্ধতা, টেকসই নকশা এবং প্রযুক্তির দক্ষ ব্যবহার। একজন স্থপতির দায়িত্ব এখন শুধুই একটি সুন্দর গঠন তৈরি করা নয়, বরং মানুষের প্রয়োজন বুঝে এমন এক স্থাপত্য নির্মাণ করা যা যুগোপযোগী, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব। এই কারণেই পেশাদার স্থপতি হতে হলে প্রয়োজন ‘ব্যাচেলর অফ আর্কিটেকচার’ (B.Arch) ডিগ্রি, যা একজন শিক্ষার্থীকে নকশার নান্দনিকতা, কারিগরি দক্ষতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতায় তৈরি করে তোলে।
এই শিক্ষার ভবিষ্যৎ এখন ডিজাইন স্টুডিয়োর গণ্ডি ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে বাস্তব জীবনের জটিল সমস্যাগুলোর সমাধানে। জলবায়ু পরিবর্তন, শহুরে অব্যবস্থা, সামাজিক বৈষম্য—এখন স্থাপত্যবিদ্যার ছাত্রছাত্রীদের এই সকল বিষয়ে সচেতন ও দক্ষ হতে হয়। সেই প্রয়োজনেই আধুনিক পাঠ্যক্রমে যুক্ত হয়েছে বিল্ডিং ইনফরমেশন মডেলিং (BIM), ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (VR), এবং স্থানীয় শিল্প ও কমিউনিটির সঙ্গে পার্টনারশিপ—যা শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিচ্ছে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি।
স্থাপত্যবিদ্যার কর্মজগৎও এখন অনেক বিস্তৃত। একটি B.Arch ডিগ্রিধারী শুধু রেজিস্টার্ড আর্কিটেক্ট বা প্রজেক্ট ম্যানেজার হয়ে থেমে থাকেন না, বরং হয়ে উঠতে পারেন গ্রিন আর্কিটেক্ট, ডিজিটাল ডিজাইনার, সিনেমার সেট ডিজাইনার বা এমনকি ঐতিহ্য সংরক্ষণের বিশেষজ্ঞও। এই ক্ষেত্রের প্রতিটি পথেই রয়েছে সৃষ্টিশীলতা, বাস্তবচিন্তা এবং চ্যালেঞ্জের দারুণ মিশেল।
এই প্রেক্ষিতেই হাওড়ার উলুবেড়িয়ায় অবস্থিত ‘ওমদয়াল গ্রুপ অফ ইনস্টিটিউশনস্’ স্থাপত্যবিদ্যার ক্ষেত্রে এক গঠনমূলক যাত্রার দিশা দেখাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের আধুনিক ক্যাম্পাসে অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী, ডিজিটাল টুলসের প্রশিক্ষণ, শিল্পভিত্তিক স্টুডিয়ো এবং ব্যবহারিক শিক্ষার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের প্রস্তুত করা হচ্ছে আগামী দিনের জন্য। এখানে রয়েছে পাঁচ বছরের ‘বি. আর্ক’ এবং দু’বছরের ‘এম. আর্ক’ কোর্স, যা কাউন্সিল অফ আর্কিটেকচারের অনুমোদিত এবং ‘ম্যাকাউট’-এর সঙ্গে সংযুক্ত। পাশাপাশি ছাত্রাবাস, পরিবহন, স্কলারশিপ ও সহনীয় খরচে পড়াশোনার সুবিধাও দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
আজ বহু প্রাক্তনী এই প্রতিষ্ঠান থেকে বেরিয়ে সফলভাবে কাজ করছেন দেশ-বিদেশের নামী সংস্থায়। কেউ আবার সুযোগ পেয়েছেন উচ্চশিক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে। এই পরিবর্তমান বিশ্বের চাহিদা মেটাতে স্থাপত্যশিক্ষার যে বাস্তব ভিত্তি প্রয়োজন, সেটাই নিশ্চিত করছে ‘ওমদয়াল ইনস্টিটিউশনস্’।
“দেশের সম্মান আগে”— পাকিস্তানি অভিনেত্রীর সঙ্গে দিলজিতের কাজ নিয়ে মুখ খুললেন মিকা সিং