“কয়েক কোটি চুমু খেয়েছি!” – চুম্বন দিবসে ঋ-কিউয়ের ভালবাসার গল্প

চুম্বন দিবসে ঋ-কিউয়ের ভালবাসার গল্প! প্রেম মানেই আবেগ, আর সেই আবেগের সবচেয়ে গভীর প্রকাশ চুম্বন। এক মুহূর্তের স্পর্শ, এক চুমুতেই সময় যেন থমকে যায়। ঠিক যেমনটা ঘটে ঋ সেন এবং…

February 13, 2025
1 min read

চুম্বন দিবসে ঋ-কিউয়ের ভালবাসার গল্প!

প্রেম মানেই আবেগ, আর সেই আবেগের সবচেয়ে গভীর প্রকাশ চুম্বন। এক মুহূর্তের স্পর্শ, এক চুমুতেই সময় যেন থমকে যায়। ঠিক যেমনটা ঘটে ঋ সেন এবং কৌশিক মুখোপাধ্যায় (কিউ)-এর ক্ষেত্রে। তাঁদের প্রেম, তাঁদের চুম্বন নিয়ে বরাবরই চর্চা হয়েছে টলিউডে। এবার চুম্বন দিবসে ফের উঠে এল তাঁদের সেই অগ্নিগর্ভ ভালবাসার গল্প।


চুম্বন মানেই ভালবাসার প্রকাশ, ব্যারিকেডহীন অনুভূতি!

“ঠোঁটে ঠোঁট রেখে ব্যারিকেড করো প্রেমের পদ্যটাই…” – কবীর সুমনের গানের এই লাইন যেন একেবারে ঋ সেনের জন্যই লেখা। তিনি বলেন,
“আমার কাছে চুম্বন মানেই গভীর ভালবাসা। কখনও বন্ধুর গালে, কখনও প্রেমিকের ঠোঁটে, আবার কখনও অচেনা মায়ের কপালে।”

সম্প্রতি কলকাতার এক রাস্তায় প্রেমিককে এক গভীর চুম্বনে আবদ্ধ করেছিলেন ঋ। সেদিন চুম্বন দিবস ছিল না, কিন্তু প্রেমের তো কোনও দিনক্ষণ হয় না! মুহূর্তের আবেগে তিনি ভুলে গিয়েছিলেন আশপাশের পরিবেশ, যানবাহন থমকে গিয়েছিল, এমনকি পুলিশ বাঁশিও বাজিয়েছিল!


“আমার চুমুতে প্রেমিকের লজ্জা, বন্ধুর স্বস্তি, আর মায়ের স্পর্শ!”

ঋর মতে, চুম্বন শুধুমাত্র প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি বলেন,
“আমি আমার খুব কাছের বন্ধুদের গালে সশব্দে চুমু খাই। চকাম চকাম শব্দ তুলে!”
ঠিক যেমন একদিন এক বয়স্কা মহিলাকে বিনামূল্যে অটোতে তুলে দেওয়ার পর তিনি ঋর কপালে চুমু খেয়েছিলেন। সে মুহূর্তে ঋর মনে হয়েছিল, যেন তাঁর মা আদর করছেন!


“নিষ্পাপ চুম্বন যেমন আছে, তেমনই জোরপূর্বক চুম্বনের দাগও রয়ে যায়!”

কিন্তু চুম্বন সবসময় সুখস্মৃতি বহন করে না। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আসার প্রথম দিকে এক অভিনেতা জোর করে তাঁর ঠোঁটে ঠোঁট রেখেছিলেন। সেই মুহূর্তে চুপ করে থাকলেও আজ স্পষ্ট বললেন,
“এখন হলে ঠাসিয়ে চড় মারতাম!”


“কিউ বলেছিলেন, রোজই চুম্বনের দিন!”

প্রাক্তন প্রেমিক, পরিচালক কৌশিক মুখোপাধ্যায় ওরফে কিউ চুম্বন দিবসের আলাদা গুরুত্ব দেন না। তাঁর মতে,
“চুমুর জন্য কোনও নির্দিষ্ট দিন হয় না। যখন মন চায়, তখনই চুমু খেতে হয়!”

কিউ বলেন,
“এ কারণেই কলকাতা ছেড়ে গোয়ায় চলে এসেছি। এখানে যখন-তখন, যেখানে-সেখানে চুমু খাওয়া যায়, কেউ নীতিপুলিশি করে না!”

তিনি আজও মনে করেন, চুম্বন মানুষের সম্পর্ক গভীর করে, সম্পর্কের বন্ধন দৃঢ় করে।


“কয়েক কোটি চুমু খেয়েছি, কোনটা ছেড়ে কোনটা বলব?”

ঋ-কিউ একসঙ্গে ছিলেন ১১ বছর।
‘গাণ্ডু’ ছবির শুটিং থেকে শুরু করে বাস্তব জীবনে, তাঁদের ভালবাসার গল্পের সাক্ষী ছিল অগণিত চুম্বন।
কিউ নিজেই বলেন,
“আমি আর ঋ কয়েক কোটি চুমু খেয়েছি! এত বছর পরও কোনটা ছেড়ে কোনটা বলব?”

চুম্বন দিবসে তাই কিউয়ের স্পষ্ট বার্তা,
“চুমু মানেই ভালবাসা। যখন-তখন, যেখানে-সেখানে, প্রিয়জনের ঠোঁটে ঠোঁট রেখে বলে দাও – ‘তোমাকে চাই’!”

“রাজ্যের বাজেট দিশাহীন!”— এক সুরে আক্রমণ শানালেন শুভেন্দু, নওশাদ ও বাম-কংগ্রেস

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *