২৪ ঘণ্টায় তিন ম্যাচ, মাঝরাত পর্যন্ত কোর্টে—এশিয়াড থেকে বিদায়ের পর সূচি নিয়ে ক্ষুব্ধ সিন্ধু

এশিয়াড থেকে বিদায়ের পর সূচি নিয়ে ক্ষুব্ধ সিন্ধু! এশিয়ান গেমসে পদকের আশা শেষ হয়ে গেল পি ভি সিন্ধুর। মহিলাদের সিঙ্গলসের কোয়ার্টার ফাইনালে চিনের চেন ইউফেইয়ের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছেন ভারতের…

September 27, 2026
1 min read

এশিয়াড থেকে বিদায়ের পর সূচি নিয়ে ক্ষুব্ধ সিন্ধু!

এশিয়ান গেমসে পদকের আশা শেষ হয়ে গেল পি ভি সিন্ধুর। মহিলাদের সিঙ্গলসের কোয়ার্টার ফাইনালে চিনের চেন ইউফেইয়ের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছেন ভারতের তারকা শাটলার। ম্যাচের পর অবশ্য শুধু হার নিয়েই কথা বলেননি সিন্ধু। এশিয়ান গেমসের সূচি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

সিন্ধুর দাবি, মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে তিনটি ম্যাচ খেলতে হয়েছে। শনিবার পর পর দু’টি ম্যাচ খেলার পর দ্বিতীয় ম্যাচটি শেষ হয় স্থানীয় সময় রাত একটা নাগাদ। তার কয়েক ঘণ্টা পরেই রবিবার দুপুরে ফের কোর্টে নামতে হয় তাঁকে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও শারীরিক পুনরুদ্ধারের সময় না পাওয়ায় পারফরম্যান্সে তার প্রভাব পড়েছে বলে মনে করেন সিন্ধু।

ম্যাচের পর তিনি বলেন, ‘‘সূচি যে ভাবে তৈরি হয়েছে, তা মোটেই ভাল নয়। সঠিক পরিকল্পনার অভাব ছিল। শনিবার অনেক রাতে ঘুমিয়েছি। দিনে দুটো ম্যাচ খেলেছি। আবার রবিবার খেলতে হয়েছে। রিকভারির কোনও সময়ই পাইনি।’’

সিন্ধুর মতে, ব্যাডমিন্টনে শুধু মানসিক প্রস্তুতি যথেষ্ট নয়। দীর্ঘ র‌্যালি এবং দ্রুত কোর্ট কভার করার জন্য শরীরকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রাখাও জরুরি। তাঁর ক্ষেত্রে সেই পুনরুদ্ধারের সময়টাই কমে গিয়েছিল।

তিনি বলেন, ‘‘মানসিক ভাবে প্রস্তুত হওয়ার থেকেও রিকভারি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আপনার মনে হতে পারে যে ভাল খেলছেন। কিন্তু শারীরিক ভাবে হয়তো কাঙ্ক্ষিত জায়গায় পৌঁছতে পারছেন না। লম্বা র‌্যালি খেলতে হয় আমাদের। রিকভারি দরকার। আপনি শাটলের কাছে পৌঁছতে চাইছেন, কিন্তু পা নড়ছে না।’’

তবে পুরো হারের দায় সূচির উপর চাপাতে চাননি সিন্ধু। তাঁর মতে, খেলায় কিছু ভাল মুহূর্তও ছিল। শুধু গুরুত্বপূর্ণ সময়ে শরীর প্রত্যাশিত সাড়া দেয়নি।

একই ধরনের সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন ভারতের আর এক শাটলার উন্নতি হুডাও। তিনিও এশিয়ান গেমস থেকে বিদায় নিয়েছেন। উন্নতির কথায়, ‘‘হারের নেপথ্যে সূচিকে পুরোপুরি দোষ দিতে চাই না। কিন্তু আরও ভাল ভাবে সূচি তৈরি করা উচিত ছিল।’’

সিন্ধুর অভিযোগের আর একটি জায়গা ছিল প্রযুক্তি নিয়ে। চেন ইউফেইয়ের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালে যে কোর্টে খেলেছেন, সেখানে ‘হক আই’ প্রযুক্তি ছিল না। ফলে লাইনের কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি থাকলেও চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ পাননি তিনি।

সিন্ধুর কথায়, ‘‘কোর্টে কোনও ক্যামেরা ছিল না, যা বেশ দুঃখজনক। আমার মনে হয়েছে দু’-তিনটি শট লাইনে পড়েছে। এশিয়ান গেমসের কোয়ার্টার ফাইনালে ক্যামেরা থাকা প্রত্যাশিত। সেই পয়েন্ট পেলে হয়তো এগিয়ে থাকতে পারতাম।’’

তবে এশিয়ান গেমস থেকে বিদায় মানেই আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টল থেকে সরে যাওয়া নয়। পরের এশিয়ান গেমসেও খেলতে পারেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন সিন্ধু। তাঁর কথায়, ‘‘যদি তখনও খেলার ইচ্ছা থাকে, নিশ্চয়ই খেলব। চোটমুক্ত থাকতে হবে। সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ধাপে ধাপে এগোতে চাই। প্রতিটি বছর ধরে ধরে এগোচ্ছি।’’

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *