১০ ও ২০ টাকার পলিমার নোট আনতে কেন্দ্রের সবুজ সঙ্কেত, কাগজের নোট কি তুলে দেওয়া হবে? জানাল আরবিআই

১০ ও ২০ টাকার পলিমার নোট আনতে কেন্দ্রের সবুজ সঙ্কেত ভারতে এবার পরীক্ষামূলকভাবে চালু হতে চলেছে পলিমার বা প্লাস্টিকের নোট। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (আরবিআই)-এর প্রস্তাবে কেন্দ্রীয় সরকারের সম্মতি মিলেছে…

July 28, 2026
1 min read

১০ ও ২০ টাকার পলিমার নোট আনতে কেন্দ্রের সবুজ সঙ্কেত

ভারতে এবার পরীক্ষামূলকভাবে চালু হতে চলেছে পলিমার বা প্লাস্টিকের নোট। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (আরবিআই)-এর প্রস্তাবে কেন্দ্রীয় সরকারের সম্মতি মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। প্রথম ধাপে ১০ ও ২০ টাকার মোট ২০০ কোটি পলিমার নোট ছাপিয়ে দেশের বিভিন্ন অংশে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হবে। তবে এই সিদ্ধান্তের অর্থ এই নয় যে, বর্তমানে প্রচলিত কাগজের নোট বাতিল হয়ে যাচ্ছে।

সূত্রের খবর, প্রথম পর্যায়ে ১০ টাকার ১০০ কোটি এবং ২০ টাকার ১০০ কোটি পলিমার নোট তৈরি করা হবে। পরীক্ষামূলক প্রকল্প সফল হলে ধাপে ধাপে এগুলির ব্যবহার বাড়ানো হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরেই পলিমার নোট চালুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছিল আরবিআই। সম্প্রতি বোর্ডের বৈঠকে বিষয়টি অনুমোদনের পর প্রস্তাব পাঠানো হয় কেন্দ্রের কাছে। লোকসভায় লিখিত উত্তরে অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধরীও সরকারের অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পলিমার নোট চালুর অন্যতম কারণ এর দীর্ঘস্থায়িত্ব। কাগজের নোটের তুলনায় প্লাস্টিকের নোট সহজে ছিঁড়ে যায় না, জল বা ময়লায় দ্রুত নষ্টও হয় না। ফলে দীর্ঘদিন ব্যবহার করা সম্ভব হয়। এতে নতুন নোট ছাপানোর প্রয়োজনও কমে, যা সরকারের ব্যয় কমাতে সাহায্য করতে পারে।

আরবিআইয়ের বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা গিয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে নোট ছাপাতে প্রায় ₹৫,১০১.৪ কোটি খরচ হয়েছিল। ২০২৪-২৫ সালে সেই ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ₹৬,৩৭২.৮ কোটি। একই সময়ে প্রায় ২,৩৮০ কোটি নোংরা বা ক্ষতিগ্রস্ত নোট প্রত্যাহার করতে হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বেশি। এই পরিস্থিতিতে আরও টেকসই বিকল্প হিসেবে পলিমার নোটকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

অনেকের মনে প্রশ্ন উঠেছে, নতুন প্লাস্টিকের নোট এলে কি কাগজের নোট তুলে নেওয়া হবে? আপাতত তার কোনও সম্ভাবনা নেই। আরবিআই স্পষ্ট জানিয়েছে, পলিমার নোট বর্তমান কাগজের নোটের বিকল্প নয়, বরং তার পাশাপাশি ব্যবহার করা হবে। কাগজের নোট পর্যায়ক্রমে বাতিল করার কোনও পরিকল্পনাও নেই।

এছাড়া ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার উপরও এর কোনও তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়বে না বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। আরবিআইয়ের মতে, নগদ লেনদেন এবং ডিজিটাল পেমেন্ট— দু’টি ব্যবস্থাই পরস্পরের পরিপূরক। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানও দেখাচ্ছে, ডিজিটাল লেনদেন বাড়লেও দেশে নগদের চাহিদা এখনও শক্তিশালী রয়েছে।

সব মিলিয়ে, পলিমার নোটের যাত্রা শুরু হচ্ছে পরীক্ষামূলকভাবে। সফল হলে ভবিষ্যতে আরও মূল্যমানের নোটেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হতে পারে, তবে আপাতত কাগজের নোট আগের মতোই বৈধ ও প্রচলিত থাকবে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *