নরওয়ে ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাসী আনচেলোত্তি!
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এবার কঠিন পরীক্ষার সামনে ব্রাজ়িল। শেষ ষোলোয় প্রতিপক্ষ নরওয়ে, আর তাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র আর্লিং হালান্ড। তবে নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকারকে নিয়ে সতর্ক থাকলেও অতিরিক্ত সমীহ দেখাতে নারাজ ব্রাজ়িলের কোচ কার্লো আনচেলোত্তি। বরং নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েই দলকে প্রস্তুত করছেন তিনি।
আনচেলোত্তির বিশ্বাস, হালান্ডকে সামলানোর মতো অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা তাঁর দলের ডিফেন্ডারদের রয়েছে। ইউরোপের ক্লাব ফুটবলে ব্রাজ়িলের একাধিক ফুটবলার আগেও বহুবার হালান্ডের মুখোমুখি হয়েছেন। তাই তাঁর খেলার ধরন নতুন কিছু নয়।
ব্রাজ়িল কোচ বলেন, “হালান্ড কী ভাবে খেলে, সেটা সবাই জানে। আমার ডিফেন্ডারদের নতুন করে শেখানোর প্রয়োজন নেই। ক্লাব ফুটবলে ওরা ওর বিরুদ্ধে অনেক বার খেলেছে।”
হালান্ডকে বল সরবরাহ বন্ধ করাই ব্রাজ়িলের মূল লক্ষ্য। সেই দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারায়েসকে। নিউক্যাসল ইউনাইটেডের এই ফুটবলার ইউরোপিয়ান ফুটবলে হালান্ডের বিরুদ্ধে একাধিক ম্যাচ খেলেছেন। নরওয়ের মাঝমাঠ ও হালান্ডের মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখাই হবে তাঁর প্রধান কাজ।
আনচেলোত্তি স্পষ্ট জানিয়েছেন, “আমাদের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য থাকবে হালান্ডকে বল পেতে না দেওয়া। কারণ বল পেলে ও কতটা বিপজ্জনক হতে পারে, সেটা সবাই জানে।”
গিমারায়েসও সতীর্থদের সতর্ক করে বলেছেন, আক্রমণে উঠলেও হালান্ডকে কখনও ফাঁকা রাখা যাবে না।
তাঁর কথায়, “হালান্ডকে এক মুহূর্তের জন্যও নজরের বাইরে রাখা যাবে না। এক বার সুযোগ পেলেই ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারে। আমরা জানি, নরওয়ে বারবার আমাদের বক্সে বল তুলবে। কর্নার, ফ্রি-কিক— সব পরিস্থিতিতেই হালান্ডকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করবে।”
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত দুরন্ত ছন্দে রয়েছেন নরওয়ের অধিনায়ক। মাত্র তিন ম্যাচেই পাঁচ গোল করে ইতিমধ্যেই সোনার বুটের লড়াইয়ে অন্যতম দাবিদার হয়ে উঠেছেন তিনি।
সেই কারণেই নরওয়ের আক্রমণ ঠেকাতে বিশেষ পরিকল্পনা তৈরি করেছেন আনচেলোত্তি। অনুশীলনেও সেই কৌশলই ঝালিয়ে নিচ্ছে ব্রাজ়িল। কোচের বিশ্বাস, ম্যাচ কঠিন হলেও সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতেই পারবে পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?