সুপার ওভারের নায়ক নারাইন: কার পরামর্শে বল হাতে, জয়ের পর জানালেন নিজেই

সুপার ওভারের নায়ক নারাইন! লখনউয়ের বিরুদ্ধে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে শেষ পর্যন্ত জয় ছিনিয়ে নেয় Kolkata Knight Riders। আর সেই জয়ের অন্যতম কারিগর Sunil Narine ম্যাচ শেষে খুলে বললেন, কেন সুপার ওভারের…

April 27, 2026
1 min read

সুপার ওভারের নায়ক নারাইন!

লখনউয়ের বিরুদ্ধে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে শেষ পর্যন্ত জয় ছিনিয়ে নেয় Kolkata Knight Riders। আর সেই জয়ের অন্যতম কারিগর Sunil Narine ম্যাচ শেষে খুলে বললেন, কেন সুপার ওভারের দায়িত্ব তাঁর হাতেই তুলে দেওয়া হয়েছিল।

ম্যাচের নির্ধারিত ২০ ওভারে লড়াই সমান সমান থাকায় খেলা গড়ায় সুপার ওভারে। এমন চাপের মুহূর্তে বল হাতে কাকে আনা হবে, তা নিয়ে সাধারণত অনেক ভাবনা-চিন্তা চলে। কিন্তু কেকেআর শিবিরে যেন সিদ্ধান্তটা খুব একটা কঠিন ছিল না। কারণ, গোটা ম্যাচেই বল হাতে দারুণ ছন্দে ছিলেন নারাইন— দলের একমাত্র বোলার যিনি ওভার প্রতি ছয়ের কম রান দিয়েছেন।

সুপার ওভারে বল হাতে নিয়েই নিজের দক্ষতার প্রমাণ দেন তিনি। মাত্র তিনটি বলেই লখনউয়ের দুই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটারকে ফিরিয়ে দেন। কার্যত সেখানেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। পরে ব্যাট হাতে জয়ের রান তুলে দেন Rinku Singh।

ম্যাচ শেষে নারাইন জানালেন, এই সিদ্ধান্তটা মূলত দলের কোচিং স্টাফেরই ছিল। তাঁর কথায়,
“এই সময়ে খুব বেশি বিকল্প থাকে না। সুপার ওভার খুব চাপের। কোচরাই বলেছিলেন আমাকে বল করতে। আমিও রাজি হয়ে যাই।”

তবে এত বড় মুহূর্তেও নারাইনের মধ্যে আলাদা কোনও উচ্ছ্বাস দেখা যায়নি। বরাবরের মতোই শান্ত ছিলেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তাঁর সরল জবাব,
“ক্রিকেট খুব কঠিন খেলা। এখানে আবেগ দেখানোর সময় খুব একটা থাকে না। আমি সে সব নিয়ে ভাবিও না।”

প্রথম বলেই তিনি ফেরান Nicholas Pooran-কে, যা লখনউয়ের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে। সেই প্রসঙ্গে নারাইন বলেন, আগে থেকে কোনও নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল না— পরিস্থিতি বুঝেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছিলেন তিনি।

এ দিন আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও তুলে ধরেন নারাইন— দলের ঐক্য। তাঁর মতে, কঠিন সময় পার করছিল কেকেআর, কিন্তু দল একসঙ্গে থেকেছে বলেই ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হয়েছে।
“আমরা কিছু ম্যাচে ভালো খেলতে পারিনি। কিন্তু এক একটা ম্যাচ ধরে এগোতে পারলে আমরা আরও ভালো করব,” বলেন তিনি।

শেষ ওভারে Kartik Tyagi-র কিছু ভুলের কারণে ম্যাচ সুপার ওভারে গড়ালেও, সতীর্থের পাশেই দাঁড়িয়েছেন নারাইন। তাঁর মতে, এই ধরনের চাপের পরিস্থিতি সিনিয়র-জুনিয়র সবার জন্যই কঠিন, আর ভুল থেকেই শেখাই আসল।

সব মিলিয়ে, এই ম্যাচে কেবল দক্ষতা নয়, ঠান্ডা মাথা আর অভিজ্ঞতাই পার্থক্য গড়ে দিল। আর সেই কারণেই সুপার ওভারের মঞ্চে আবারও প্রমাণ হল— কেন নারাইন এখনও কেকেআরের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ম্যাচ-উইনারদের একজন।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *