মুসাফির ক্যাফে’র মতো স্বপ্নের ঠিকানা!
নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘মুসাফির ক্যাফে’ অনেকের মনেই পাহাড়ের কোলে ছোট্ট, শান্ত একটি ক্যাফেতে বসে কফির কাপে চুমুক দেওয়ার স্বপ্ন জাগিয়েছে। বাস্তবেও ভারতের বিভিন্ন পাহাড়ি শহরে এমন অনেক ক্যাফে রয়েছে, যেখানে প্রকৃতি, নির্জনতা আর উষ্ণ আতিথেয়তার অনন্য মেলবন্ধন পাওয়া যায়।
এখানে এমনই ১০টি পাহাড়ি ক্যাফের খোঁজ দেওয়া হল—
| ক্যাফের নাম | অবস্থান | বিশেষত্ব |
|---|---|---|
| Jeeva Cafe | দেরাদুন | পাহাড়ি পরিবেশ, কাঠের সাজ, বাগানঘেরা বসার জায়গা |
| Firgun Cafe | শোজা, হিমাচল | পারিবারিক উষ্ণতা, উপত্যকার মনোরম দৃশ্য |
| ATS Cafe | কসোল | পার্বতী নদীর ধারে, পাহাড়ি খাবার ও কফি |
| Ivy Cafe | ল্যান্ডোর, মুসৌরি | পাইন বনে ঘেরা, শান্ত পরিবেশ |
| Alhito Cafe Resort | আলমোড়া | পাহাড়ি ভিউ ও সূর্যাস্তের জন্য জনপ্রিয় |
| The Chocolate Room | নৈনিতাল | হট চকলেট ও ডেজ়ার্টের জন্য বিখ্যাত |
| La Vita Cafe | ধর্মশালা | তিব্বতি খাবার, রুফটপ ক্যাফে |
| Margaret’s Deck | টুং, কার্শিয়াং | চা-বাগান ও উপত্যকার দুর্দান্ত দৃশ্য |
| Art Cafe | কালিম্পং | লাইভ মিউজ়িক, শিল্প প্রদর্শনী, কাঞ্চনজঙ্ঘার ভিউ |
| Darjeeling Cafe House | দার্জিলিং | দার্জিলিং চা, বই পড়ার কোণা ও পাহাড়ের দৃশ্য |
১. জীবা ক্যাফে, দেরাদুন
কিরসালি বুদ্ধচকে অবস্থিত এই ক্যাফে প্রকৃতির মাঝে কিছুটা সময় শান্তিতে কাটানোর জন্য আদর্শ। কাঠের সাজসজ্জা, সবুজ বাগান এবং নিরিবিলি পরিবেশ এটিকে বিশেষ আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
২. ফিরগুন ক্যাফে, শোজা
হিমাচল প্রদেশের ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম শোজায় অবস্থিত এই ক্যাফে অতিথিদের ঘরের মতো উষ্ণ অনুভূতি দেওয়ার চেষ্টা করে। চারপাশে পাহাড় ও উপত্যকার দৃশ্য মন ভরিয়ে দেয়।
৩. এটিএস ক্যাফে, কসোল
পার্বতী নদীর একেবারে ধারে বসে ধোঁয়া ওঠা কফি কিংবা পাহাড়ি খাবার উপভোগ করার অভিজ্ঞতা এই ক্যাফের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।
৪. আইভি ক্যাফে, ল্যান্ডোর
মুসৌরির ল্যান্ডোর এলাকায় অবস্থিত এই ক্যাফে পাইন বন ও শান্ত পরিবেশের জন্য পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। কফি, ক্রসাঁ ও বেকারি আইটেম এখানে বিশেষভাবে সমাদৃত।
৫. অ্যালহিতো ক্যাফে রিসর্ট, আলমোড়া
ধাপে ধাপে সাজানো পাহাড়ি পরিবেশ, উন্মুক্ত বসার জায়গা এবং সূর্যাস্তের অসাধারণ দৃশ্য এই ক্যাফেকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।
৬. দ্য চকলেট রুম, নৈনিতাল
মল রোডের কাছে অবস্থিত এই ক্যাফে মূলত চকলেটপ্রেমীদের জন্য স্বর্গ। হট চকলেট, ব্রাউনি ও নানা ধরনের ডেজ়ার্ট এখানে বিশেষ জনপ্রিয়।
৭. লা ভিতা ক্যাফে, ধর্মশালা
তিব্বতি খাবার, মোমো, থুকপা, ভালো কফি এবং সুন্দর রুফটপ— সব মিলিয়ে ধর্মশালার অন্যতম আকর্ষণীয় ক্যাফে এটি।
৮. মার্গারেট’স ডেক, কার্শিয়াং
টুং স্টেশনের কাছে অবস্থিত এই ক্যাফে থেকে চা-বাগান, পাহাড় ও উপত্যকার অপূর্ব দৃশ্য দেখা যায়। এখানকার দার্জিলিং চা এবং সিনেমার শুটিংয়ের ইতিহাসও পর্যটকদের টানে।
৯. আর্ট ক্যাফে, কালিম্পং
শিল্প, সঙ্গীত এবং প্রকৃতিকে একসঙ্গে উপভোগ করতে চাইলে এই ক্যাফে আদর্শ। পরিষ্কার দিনে এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘাও দেখা যায়।
১০. দার্জিলিং ক্যাফে হাউস, দার্জিলিং
রাজভবনের কাছে অবস্থিত এই ক্যাফেতে দার্জিলিং চা, ইংলিশ ব্রেকফাস্ট, বেকারি আইটেম এবং বই পড়ার আরামদায়ক পরিবেশ পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে।
‘মুসাফির ক্যাফে’-র মতো স্বপ্নময় পরিবেশ খুঁজতে হলে এই ক্যাফেগুলি হতে পারে দারুণ গন্তব্য। প্রকৃতির সান্নিধ্যে কয়েক ঘণ্টা কাটাতে, প্রিয়জনের সঙ্গে গল্প করতে কিংবা একান্তে নিজেকে খুঁজে পেতে ভারতের এই পাহাড়ি ক্যাফেগুলি নিঃসন্দেহে ভ্রমণতালিকায় রাখার মতো।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।