জার্মানির নতুন কোচ হওয়ার দৌড়ে ক্লপ!
বিশ্বকাপ থেকে অপ্রত্যাশিত বিদায়ের পর বড় সিদ্ধান্ত নিলেন Julian Nagelsmann। জার্মান জাতীয় দলের প্রধান কোচের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ প্যারাগুয়ের কাছে হারের পরই দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন ৩৮ বছর বয়সী এই কোচ।
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে জার্মানির দায়িত্ব নিয়েছিলেন নাগেলসম্যান। তাঁর সঙ্গে German Football Association-এর চুক্তি ছিল ২০২৮ সালের ইউরো পর্যন্ত। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। জার্মান ফুটবল সংস্থা তাঁকে বরখাস্ত করেনি। ফলে চুক্তি অনুযায়ী ক্ষতিপূরণও পাবেন নাগেলসম্যান।
বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার পর তিনি বলেন, “যে দল প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায় নেয়, তারা নিজেদের বিশ্বের সেরা দলগুলির মধ্যে দাবি করতে পারে না। এই ফল অত্যন্ত হতাশাজনক।”
নাগেলসম্যান আরও জানান, ফুটবল সংস্থা তাঁর উপর আস্থা রেখেছিল এবং দায়িত্বে বহাল রাখতে চেয়েছিল। কিন্তু তিনি নিজেই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর কথায়, “কর্তারা চেয়েছিলেন আমি কাজ চালিয়ে যাই। আমি ফুটবল সম্পর্কে যথেষ্ট জানি। এটাও বুঝি, অনেকেই হয়তো আমাকে আর এই পদে দেখতে চাইছিলেন না।”
FC Bayern Munich এবং RB Leipzig-এ সাফল্যের পর জাতীয় দলের দায়িত্ব পেয়েছিলেন নাগেলসম্যান। কিন্তু বিশ্বকাপে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত নিজেই সরে দাঁড়ালেন।
এখন জার্মানির সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন— নতুন কোচ কে?
জার্মান সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই মুহূর্তে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন Jürgen Klopp। ২০২৪ সালে Liverpool F.C.-এর দায়িত্ব ছাড়ার পর তিনি বর্তমানে টেলিভিশনে ফুটবল বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করছেন।
কয়েক দিন আগেই ক্লপ জানিয়েছিলেন, সুযোগ এলে জাতীয় দলের দায়িত্ব নিতে তাঁর আপত্তি নেই। তিনি বলেছিলেন, “ডিএফবি যদি চায়, আমি দায়িত্ব নিতে পারি। ২০২৮ সালের ইউরো পর্যন্ত কাজ করতেও প্রস্তুত। তবে প্রস্তাবটা তাদেরই দিতে হবে। আমি নিজে গিয়ে কারও কাছে কাজ চাইব না।”
যদিও বিশ্বকাপ থেকে জার্মানির বিদায়ের পর ক্লপ এখনও এ বিষয়ে নতুন করে কোনও মন্তব্য করেননি। নাগেলসম্যান বা দলেরও প্রকাশ্যে সমালোচনা করেননি তিনি।
এখন নজর জার্মান ফুটবল সংস্থার পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে। ইউরোপের অন্যতম সফল জাতীয় দলের দায়িত্ব শেষ পর্যন্ত ক্লপের হাতে যায় কি না, সেটাই দেখার।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?