বিয়ে নয়, নিজের মতো জীবনেই খুশি অমীষা পটেল, তবে ‘সঠিক মানুষ’ এলে বদলাতে পারেন সিদ্ধান্ত

বিয়ে নয়, নিজের মতো জীবনেই খুশি অমীষা পটেল! বলিউড অভিনেত্রী অমীষা পটেল আবারও স্পষ্ট করে দিলেন, আপাতত তাঁর জীবনে বিয়ের কোনও পরিকল্পনা নেই। একা থাকতেই তিনি স্বচ্ছন্দ এবং সুখী। সম্প্রতি…

August 6, 2026
0 min read

বিয়ে নয়, নিজের মতো জীবনেই খুশি অমীষা পটেল!

বলিউড অভিনেত্রী অমীষা পটেল আবারও স্পষ্ট করে দিলেন, আপাতত তাঁর জীবনে বিয়ের কোনও পরিকল্পনা নেই। একা থাকতেই তিনি স্বচ্ছন্দ এবং সুখী। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে অনুরাগীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অকপটে কথা বলেন অভিনেত্রী।

এক অনুরাগী জানতে চান, “কবে বিয়ে করছেন?” উত্তরে অমীষা লেখেন, “এই মুহূর্তে বিয়ের কোনও পরিকল্পনা নেই। আমি একা থাকতেই দারুণ খুশি। পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু মিলিয়ে আমার জীবনে প্রায় একশো জন মানুষ আছেন, যাঁদের ভালবাসা পাই। সেখানে শুধুমাত্র একজন পুরুষ এসে সব সমীকরণ বদলে দিক, সেটা চাই না।”

তবে তাঁর এই অবস্থান নতুন নয়। অতীতেও বহুবার তিনি জানিয়েছেন যে, নিজের স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত পরিসরকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্ব দেন। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার পরে তিনি বুঝেছেন, সুখী থাকার জন্য বিয়ে বাধ্যতামূলক নয়।

অমীষার ব্যক্তিগত জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও উঠে এসেছে তাঁর কথায়। অভিনয়ে আসার আগে এক শিল্পপতি পরিবারের যুবকের সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্ক ছিল। সামাজিক মর্যাদা, পারিবারিক পরিবেশ এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা— সব দিক থেকেই সেই সম্পর্ক ছিল আদর্শ বলেই তিনি জানিয়েছেন। কিন্তু সিনেমায় অভিনয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তাঁর সঙ্গী চাননি, তিনি জনসমক্ষে পরিচিত মুখ হয়ে উঠুন। শেষ পর্যন্ত প্রেমের চেয়ে নিজের কেরিয়ারকেই বেছে নিয়েছিলেন অমীষা।

অভিনেত্রীর মতে, “যে সত্যিই ভালবাসবে, সে কখনও সঙ্গীর স্বপ্ন বা পেশাগত সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।” জীবনে প্রেমের জন্য যেমন অনেক কিছু হারিয়েছেন, তেমনই কেরিয়ারের স্বার্থেও একাধিক সম্পর্ক থেকে সরে আসতে হয়েছে তাঁকে। সেই অভিজ্ঞতাই তাঁকে আরও বাস্তববাদী করেছে।

তবে বিয়ের দরজা তিনি পুরোপুরি বন্ধ করে দেননি। বরং জানিয়েছেন, যদি সত্যিই যোগ্য এবং মানসিকভাবে পরিণত কোনও মানুষ তাঁর জীবনে আসেন, তাহলে মত বদলাতেও আপত্তি নেই। তাঁর কথায়, এখনও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত পরিবারের কাছ থেকে বিয়ের প্রস্তাব আসে। এমনকি নিজের চেয়ে অনেক কমবয়সিরাও ডেটে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু বয়স নয়, মানুষের পরিণত চিন্তাভাবনাই তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি মজার ছলে বলেন, “অনেক সময় বয়সে বড় হলেও কারও মানসিক পরিণতি খুবই হতাশাজনক হয়।”

উল্লেখযোগ্যভাবে, অতীতে অমীষার নাম একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে জড়ালেও পরিচালক বিক্রম ভট্টর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কই সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছিল। সেই সম্পর্ক নিয়েও দীর্ঘদিন নানা জল্পনা চলেছিল।

সব মিলিয়ে, অমীষা পটেলের বার্তা স্পষ্ট— তিনি আপাতত নিজের জীবন, কাজ এবং কাছের মানুষদের নিয়েই সুখে আছেন। তবে ভবিষ্যতে যদি সত্যিই এমন কেউ আসেন, যিনি তাঁর স্বাধীনতা ও স্বপ্নকে সম্মান করবেন, তাহলে বিয়ে নিয়ে নতুন করে ভাবতে পারেন অভিনেত্রী।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *