খোলামেলা কল্কি!
সম্পর্ক ভাঙার যন্ত্রণা যে কতটা গভীর হতে পারে, তা নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই তুলে ধরলেন Kalki Koechlin। পরিচালক Anurag Kashyap-এর সঙ্গে বিচ্ছেদের পরের সময়টা তাঁর জন্য মোটেই সহজ ছিল না
“অন্য কারও সঙ্গে দেখলে কষ্ট হত”
এক সাক্ষাৎকারে কল্কি জানান, বিচ্ছেদের পর অনুরাগকে অন্য কারও সঙ্গে দেখা তাঁর জন্য মানসিক ভাবে খুব কঠিন ছিল। সেই কারণেই দু’জনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করাটা জরুরি হয়ে ওঠে। তাঁর কথায়, ডিভোর্সের পর প্রথম কয়েক বছর বেশ কষ্টকর ছিল, তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি বদলেছে।
শোক কাটিয়ে ওঠার নিজস্ব পথ
কল্কির মতে, সম্পর্ক ভাঙার পর শোক কাটানোর জন্য সময় নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। শুধু মনোবিদের সাহায্য নয়, নিজের মতো করে সেই অনুভূতিকে গ্রহণ করাও গুরুত্বপূর্ণ। যদিও তিনি থেরাপির পক্ষেই, তবু বলেন— গভীর দুঃখের সময়ে কাউন্সেলিং শুরু করাও অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।
বিচ্ছেদের আগে ‘স্পেস’ দরকার
কল্কি আরও বলেন, হঠাৎ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার বদলে কিছু সময় আলাদা থাকা ভাল। এতে আবেগের তীব্রতা কিছুটা কমে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়াও সহজ হয়। তাঁর মতে, দীর্ঘ সম্পর্ক হলে কিছু মাস দূরে থেকে তার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
এখন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক
২০১১ সালে বিয়ে এবং ২০১৫ সালে বিচ্ছেদ— এই পথ পেরিয়ে এখন Kalki Koechlin ও Anurag Kashyap-এর সম্পর্ক অনেকটাই স্বাভাবিক। বর্তমানে তাঁরা বন্ধুর মতোই যোগাযোগ রাখেন।
সম্পর্ক ভাঙা মানেই শেষ নয়
এই অভিজ্ঞতা থেকে কল্কির বার্তা স্পষ্ট— সম্পর্ক শেষ হলেও জীবন থেমে থাকে না। সময়, দূরত্ব এবং নিজেকে বোঝার মধ্য দিয়েই ধীরে ধীরে সব কিছু আবার নতুন ভাবে গড়ে ওঠে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?