পুনর্নির্বাচনের দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৭৭টি বুথে কমিশনের দ্বারস্থ প্রার্থীরা

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৭৭টি বুথে কমিশনের দ্বারস্থ প্রার্থীরা! দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই নতুন করে রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। জেলার ৭৭টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়ে নির্বাচন…

April 30, 2026
1 min read

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৭৭টি বুথে কমিশনের দ্বারস্থ প্রার্থীরা!

দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই নতুন করে রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। জেলার ৭৭টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছেন কয়েক জন প্রার্থী। ঘটনাচক্রে, এই বুথগুলির বড় অংশই রয়েছে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে, যা তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পুনর্নির্বাচনের দাবি ওঠা বুথগুলির মধ্যে ফলতা বিধানসভায় রয়েছে ৩২টি, ডায়মন্ড হারবারে ২৯টি, বজবজে ৩টি এবং মগরাহাট পূর্বে ১৩টি বুথ। এর মধ্যে ফলতা, ডায়মন্ড হারবার এবং বজবজ— এই তিনটি বিধানসভাই ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। অন্যদিকে, মগরাহাট পূর্ব পড়ে জয়নগর লোকসভা এলাকার মধ্যে।

যদিও নির্বাচন কমিশনের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু ঘোষণা করা হয়নি, সূত্রের খবর— পুনর্নির্বাচনের এই আবেদনগুলির বেশিরভাগই এসেছে বিরোধী দল বিজেপির পক্ষ থেকে। তাদের অভিযোগ, কিছু বুথে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম হয়েছে, যা ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

বিশেষ করে ফলতা কেন্দ্রকে ঘিরে বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়েছে। ভোটের দিন সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং এক পুলিশ পর্যবেক্ষকের বিরুদ্ধে তৃণমূল প্রার্থীর বাড়ির সামনে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়ায়। একইসঙ্গে, কয়েকটি বুথে ইভিএম মেশিনে ‘টেপ’ লাগানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ সামনে এসেছে, যা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, প্রথম দফার ভোটের পর এমন কোনও পুনর্নির্বাচনের দাবি ওঠেনি। অথচ দ্বিতীয় দফার পরেই একসঙ্গে এতগুলি বুথ নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে, যেখানে মোট ৪১ হাজারেরও বেশি বুথে ভোটগ্রহণ হয়েছে, সেখানে মাত্র ৭৭টি বুথকে ঘিরে এই বিতর্ক আলাদা করে নজর কেড়েছে।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই ধরনের পুনর্নির্বাচনের দাবি ভবিষ্যতের ফলাফলের উপর প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে যদি সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে লড়াই হাড্ডাহাড্ডি হয়। অন্যদিকে, শাসকদলের বক্তব্য— এই অভিযোগগুলির বেশিরভাগই ‘ভিত্তিহীন’ এবং ভোটের ফলাফল প্রভাবিত করার কৌশল।

সব মিলিয়ে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই ৭৭টি বুথ এখন নির্বাচন-পরবর্তী আলোচনার কেন্দ্রে। নির্বাচন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটাই এখন দেখার। কারণ, সেই সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করতে পারে এই বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেবে এবং তার প্রভাব কতটা পড়বে চূড়ান্ত ফলাফলে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *