পুতিনের পর রাশিয়ায় কে? উত্তরসূরি নিয়ে আগেভাগেই হিসাব কষছে চিন, বাড়ছে ‘ষড়যন্ত্র’-জল্পনা

পুতিনের পর রাশিয়ায় কে? ভ্লাদিমির পুতিনের পর রাশিয়ার ক্ষমতার মসনদে কে বসবেন—এই প্রশ্ন এখন শুধু মস্কোর অন্দরমহলের নয়, বেজিংয়ের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পশ্চিমি বিশ্লেষকদের দাবি, সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের গতিবিধির উপর…

August 23, 2026
1 min read

পুতিনের পর রাশিয়ায় কে?

ভ্লাদিমির পুতিনের পর রাশিয়ার ক্ষমতার মসনদে কে বসবেন—এই প্রশ্ন এখন শুধু মস্কোর অন্দরমহলের নয়, বেজিংয়ের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পশ্চিমি বিশ্লেষকদের দাবি, সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের গতিবিধির উপর নজর রাখছে চিন। কারণ, পুতিন-পরবর্তী রাশিয়ায় ক্ষমতার পালাবদল হলে মস্কো-বেজিং সম্পর্কের সমীকরণও বদলে যেতে পারে।

https://images.openai.com/static-rsc-4/46L3-U6HNC7bcmxvzPKM4QgqelcN2X6Lvyxi6Lr_EdcXlZNMWwyJQEyWCoTgGF04X2xzbdmxsFHRgd2tqjUihLdxcj1yj57j56KNxfbzrv84BlbBVLOMAejQF10y3W-oV6s4aQdA_ZVlHvKstpfaH_LuZZnWNSt237XQ-eiOzN_VBjvecAAmKT0E8DmAdhNt?purpose=fullsize
https://images.openai.com/static-rsc-4/X0B2NamdUAfqyBpO6YbB67zEXFDEjIudcQtXjYoCpap-j9yEfhmCM7rJeSZPNz3ASf2sd1uPvsMvWjeycqtvuFDgMHDjKBJiO9M9C18W6iKozaptlNedEOAd5FASvGHywB4WhMEhT7r9wvXBpKrvneR1zkLDBgHnb6Zpo9kNt8UBrg79y3Sg-nkLqDhJgNKZ?purpose=fullsize
https://images.openai.com/static-rsc-4/NZhj21uM05lg56sRU0BSLXrUhcl3l8QuXK96zGn1vekmQxy9W7hhB39YYaxi5cogS_yVGxQ8LjRGxSdBvbWFE8ZSJIEmbG3a4wdp3PI34lqGnxQQSqrN_yShhMXmPze6gWMMTbTZz3No9mC6Fl88P5-NMj6cWaIYtIN6ZKrMSWh35aHr64NRThNP0_8E-5Tu?purpose=fullsize

5

‘সীমাহীন বন্ধুত্ব’, নাকি ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি?

ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়া পশ্চিমি নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়লে চিন মস্কোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার হয়ে ওঠে। জ্বালানি থেকে শিল্পপণ্য—দুই দেশের বাণিজ্যিক নির্ভরতা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। ২০২৪ সালে রাশিয়া চিনে বিপুল পরিমাণ তেল, গ্যাস, কয়লা, সার-সহ বিভিন্ন পণ্য রফতানি করেছে। পাল্টা চিন থেকে রাশিয়ায় গিয়েছে যন্ত্রপাতি, বৈদ্যুতিন সামগ্রী ও যানবাহন।

এই সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই বেজিংয়ের অন্যতম লক্ষ্য বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। তাই পুতিনের পরে এমন কোনও নেতা ক্ষমতায় এলে, যিনি চিনের প্রতি কম বন্ধুত্বপূর্ণ, তা মস্কো-বেজিং সম্পর্কে বড় ধাক্কা আনতে পারে।

অর্থনীতির চাপেও নজর বেজিংয়ের

রাশিয়ার অর্থনীতির উপর যুদ্ধ এবং পশ্চিমি নিষেধাজ্ঞার চাপ বাড়ছে। বিপরীতে চিনের অর্থনৈতিক শক্তি রাশিয়ার তুলনায় অনেক বেশি। ফলে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ক্ষমতার ভারসাম্যও ধীরে ধীরে বেজিংয়ের দিকে ঝুঁকেছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

সাইবেরিয়া-২ গ্যাস পাইপলাইন নিয়েও দুই দেশের মধ্যে দর-কষাকষির বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। মস্কোর জন্য প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও চিন নিজের প্রয়োজন ও স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে—এমন ইঙ্গিতই মিলেছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

শুধু পুতিন নন, নজর উত্তর কোরিয়ার দিকেও

চিনের উদ্বেগের আর একটি কারণ রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান সামরিক সহযোগিতা। ইউক্রেন যুদ্ধে পিয়ংইয়ংয়ের সমর্থনের বিনিময়ে মস্কো অত্যাধুনিক সামরিক প্রযুক্তি দিতে পারে—এমন আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে উত্তর কোরিয়ার সামরিক ও পরমাণু সক্ষমতা বাড়লে পূর্ব এশিয়ায় নতুন নিরাপত্তা সংকট তৈরি হতে পারে।

জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া আরও ঘনিষ্ঠ ভাবে আমেরিকার দিকে ঝুঁকলে সেটিও বেজিংয়ের কৌশলগত স্বার্থের পক্ষে সুখকর হবে না।

তবে ‘ষড়যন্ত্র’ কতটা সত্য?

এখানেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। পুতিনের উত্তরসূরিদের সঙ্গে চিন গোপনে যোগাযোগ করছে—এমন দাবি পশ্চিমি বিশ্লেষকদের একাংশ করলেও এর পক্ষে প্রকাশ্যে নিশ্চিত প্রমাণ নেই। ফলে বিষয়টিকে আপাতত বিশ্লেষণ ও কূটনৈতিক জল্পনা হিসাবেই দেখা উচিত।

আর পুতিন-পরবর্তী রাশিয়া যে চিনের অনুগতই হবে, তারও নিশ্চয়তা নেই। নতুন নেতৃত্ব ইউক্রেন যুদ্ধ, পশ্চিমের সঙ্গে সম্পর্ক এবং চিনের সঙ্গে বাণিজ্য—সব ক্ষেত্রেই সম্পূর্ণ ভিন্ন নীতি নিতে পারে।

সবচেয়ে বড় ব্যঙ্গ, পুতিনের মতোই শি জিনপিংও দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার কেন্দ্রে রয়েছেন। তাই রাশিয়ার উত্তরসূরি নিয়ে বেজিং যতই হিসাব কষুক, ভবিষ্যতে চিনের নিজের উত্তরসূরি প্রশ্নও একদিন একই রকম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।ভ্লাদিমির পুতিনের পর রাশিয়ার ক্ষমতার মসনদে কে বসবেন—এই প্রশ্ন এখন শুধু মস্কোর অন্দরমহলের নয়, বেজিংয়ের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পশ্চিমি বিশ্লেষকদের দাবি, সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের গতিবিধির উপর নজর রাখছে চিন। কারণ, পুতিন-পরবর্তী রাশিয়ায় ক্ষমতার পালাবদল হলে মস্কো-বেজিং সম্পর্কের সমীকরণও বদলে যেতে পারে।

5

‘সীমাহীন বন্ধুত্ব’, নাকি ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি?

ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়া পশ্চিমি নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়লে চিন মস্কোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার হয়ে ওঠে। জ্বালানি থেকে শিল্পপণ্য—দুই দেশের বাণিজ্যিক নির্ভরতা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। ২০২৪ সালে রাশিয়া চিনে বিপুল পরিমাণ তেল, গ্যাস, কয়লা, সার-সহ বিভিন্ন পণ্য রফতানি করেছে। পাল্টা চিন থেকে রাশিয়ায় গিয়েছে যন্ত্রপাতি, বৈদ্যুতিন সামগ্রী ও যানবাহন।

এই সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই বেজিংয়ের অন্যতম লক্ষ্য বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। তাই পুতিনের পরে এমন কোনও নেতা ক্ষমতায় এলে, যিনি চিনের প্রতি কম বন্ধুত্বপূর্ণ, তা মস্কো-বেজিং সম্পর্কে বড় ধাক্কা আনতে পারে।

অর্থনীতির চাপেও নজর বেজিংয়ের

রাশিয়ার অর্থনীতির উপর যুদ্ধ এবং পশ্চিমি নিষেধাজ্ঞার চাপ বাড়ছে। বিপরীতে চিনের অর্থনৈতিক শক্তি রাশিয়ার তুলনায় অনেক বেশি। ফলে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ক্ষমতার ভারসাম্যও ধীরে ধীরে বেজিংয়ের দিকে ঝুঁকেছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

সাইবেরিয়া-২ গ্যাস পাইপলাইন নিয়েও দুই দেশের মধ্যে দর-কষাকষির বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। মস্কোর জন্য প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও চিন নিজের প্রয়োজন ও স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে—এমন ইঙ্গিতই মিলেছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

শুধু পুতিন নন, নজর উত্তর কোরিয়ার দিকেও

চিনের উদ্বেগের আর একটি কারণ রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান সামরিক সহযোগিতা। ইউক্রেন যুদ্ধে পিয়ংইয়ংয়ের সমর্থনের বিনিময়ে মস্কো অত্যাধুনিক সামরিক প্রযুক্তি দিতে পারে—এমন আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে উত্তর কোরিয়ার সামরিক ও পরমাণু সক্ষমতা বাড়লে পূর্ব এশিয়ায় নতুন নিরাপত্তা সংকট তৈরি হতে পারে।

জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া আরও ঘনিষ্ঠ ভাবে আমেরিকার দিকে ঝুঁকলে সেটিও বেজিংয়ের কৌশলগত স্বার্থের পক্ষে সুখকর হবে না।

তবে ‘ষড়যন্ত্র’ কতটা সত্য?

এখানেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। পুতিনের উত্তরসূরিদের সঙ্গে চিন গোপনে যোগাযোগ করছে—এমন দাবি পশ্চিমি বিশ্লেষকদের একাংশ করলেও এর পক্ষে প্রকাশ্যে নিশ্চিত প্রমাণ নেই। ফলে বিষয়টিকে আপাতত বিশ্লেষণ ও কূটনৈতিক জল্পনা হিসাবেই দেখা উচিত।

আর পুতিন-পরবর্তী রাশিয়া যে চিনের অনুগতই হবে, তারও নিশ্চয়তা নেই। নতুন নেতৃত্ব ইউক্রেন যুদ্ধ, পশ্চিমের সঙ্গে সম্পর্ক এবং চিনের সঙ্গে বাণিজ্য—সব ক্ষেত্রেই সম্পূর্ণ ভিন্ন নীতি নিতে পারে।

সবচেয়ে বড় ব্যঙ্গ, পুতিনের মতোই শি জিনপিংও দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার কেন্দ্রে রয়েছেন। তাই রাশিয়ার উত্তরসূরি নিয়ে বেজিং যতই হিসাব কষুক, ভবিষ্যতে চিনের নিজের উত্তরসূরি প্রশ্নও একদিন একই রকম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *