পরিচারিকার সঙ্গে সম্পর্কের কথা বিয়ের আগেই জানিয়েছিলেন ওম পুরী!
প্রয়াত অভিনেতা ওম পুরীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ফের চর্চা শুরু হয়েছে। তাঁর প্রথম স্ত্রী সীমা কপূর এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, বিয়ের আগেই ওম তাঁকে জানিয়েছিলেন যে বাড়ির এক পরিচারিকার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল। সব জানার পরেও বিয়ে থেকে সরে আসার সাহস তখন তাঁর ছিল না বলে জানান সীমা।
সীমার কথায়, বিয়ের পর প্রথম দিকে তাঁদের সংসার স্বাভাবিকভাবেই চলছিল। কিন্তু City of Joy ছবির শুটিং চলাকালীন ওম পুরীর জীবনে অন্য এক নারীর আগমন ঘটে। সেই সম্পর্ক ধীরে ধীরে গভীর হয় এবং পরে সেই মহিলাকেই বিয়ে করেন অভিনেতা। তাঁদের একটি সন্তানও হয়।
সীমার অভিযোগ, স্বামীর নতুন সম্পর্কের কথা তাঁর আশপাশের অনেকেই জানতেন, কিন্তু কেউ তাঁকে আগে থেকে সতর্ক করেননি। পরে দিল্লিতে থাকার সময় ওম পুরী নিজেই ফোন করে অন্য সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার কথা জানান। সেই কথোপকথনের পর থেকেই সীমা বুঝতে পারেন, তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্ক আর আগের অবস্থায় নেই।
মুম্বই ফিরে সংসার বাঁচানোর শেষ চেষ্টা করেছিলেন সীমা। কিন্তু ওম পুরীর জিনিসপত্রের মধ্যে প্রেমপত্র খুঁজে পাওয়ার পর তাঁর সব আশা ভেঙে যায়। সে সময় তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। সীমার দাবি, তাঁর গর্ভাবস্থার কথা জেনেও ওম পুরী অন্য সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন।
অবশেষে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তিনি বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। তাঁর বিশ্বাস ছিল, ওম পুরী হয়তো তাঁকে ফিরিয়ে আনবেন। কিন্তু তা আর হয়নি। পরে তাঁর গর্ভের সন্তানও বাঁচেনি। সীমার অভিযোগ, সেই কঠিন সময়েও অভিনেতা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর পাশে দাঁড়াননি বা দেখা করতে আসেননি। পরিবর্তে নিজের সচিবের মাধ্যমে ২৫ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলেন, যা তিনি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, ওম পুরীর ব্যক্তিগত জীবন অতীতেও একাধিকবার বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে। সীমা কপূরের এই নতুন মন্তব্য সেই পুরনো বিতর্ককেই আবার সামনে নিয়ে এসেছে। তবে এই অভিযোগগুলি সীমা কপূরের ব্যক্তিগত বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত, এবং ওম পুরী আর জীবিত না থাকায় তাঁর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া সম্ভব নয়।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।